প্রথম দিনের স্বস্তি দ্বিতীয় দিন সকালে এক সেশনও টিকল না। জোমেল ওয়ারিকানের বাঁহাতি স্পিনে ধসে পড়ল বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার প্রথম সেশনে বাকি ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭২ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা।
সেঞ্চুরির পরই ফিরলেন সাদমান
দিনের দ্বিতীয় বলেই ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সাদমান ইসলাম। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি এই বাঁহাতি ওপেনার। অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার জশুয়া বিশপের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। ২৩৪ বলে ১১ চারে ১০৫ রান করেন সাদমান।
এরপর ব্যাটিংয়ে নামেন আগের দিন ৪২ রানে চোট পেয়ে উঠে যাওয়া তাওহিদ হৃদয়। তবে নিজের সংগ্রহে আর কোনো রান যোগ করতে পারেননি তিনি। বিশপের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন হৃদয়।
ওয়ারিকানের স্পিনে দ্রুত পতন
ষষ্ঠ উইকেটে লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ মিলে ৩২ রান যোগ করে চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে আর্ম ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ১৫ রান করে ফেরেন মিরাজ। এরপরই শুরু হয় বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস।
মাত্র ১৯ রানের মধ্যে শেষ ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ ও নাঈম হাসানকে ফেরান শামার জোসেফ। আর পরপর দুই বলে তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামকে আউট করেন ওয়ারিকান।
পাঁচ উইকেট নিলেন ওয়ারিকান
বাংলাদেশের ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন লিটন দাস। ৮৮ বলে ৪ চারে ৩৪ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় দিন সকালে মাত্র ৫৯ রান যোগ করেই অলআউট হয় বাংলাদেশ।
ওয়ারিকান ৫৩ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ইনিংস শেষ করেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার চতুর্থবারের মতো পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি।
আরও পড়ুন:







