শুক্রবার

৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

আফগানদের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, তিনশ পেরিয়ে স্বস্তিতে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৫

শেয়ার

আফগানদের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, তিনশ পেরিয়ে স্বস্তিতে বাংলাদেশ
ছবি সংগৃহীত

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিন শুরুটা দারুণ হলেও শেষ বিকেলে খেই হারিয়েছে বাংলাদেশ। ২২১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর শেষ ৯৬ রান তুলতে আরও ৫ উইকেট হারিয়েছে টাইগাররা। এতে ম্যাচে ফিরেছে আফগানিস্তান।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে প্রথম দিন শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১৭ রান। তাইজুল ইসলাম ৪ ও নাঈম হাসান ১১ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন।

টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে এটিই বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ। দলে স্পিনার নাঈম হাসানের পাশাপাশি অভিজ্ঞ তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ এবং দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনকে নিয়ে একাদশ সাজান শান্ত।

শুরু থেকেই তানজিদের আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে চাপে ছিল আফগানিস্তানের বোলিং লাইনআপ। শুরুতে সাদমানের কিছু অনিয়ন্ত্রিত শট ছাড়া বোলারদের স্বস্তির তেমন সুযোগ ছিল না। তানজিদ আউট হলেও তাঁর ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের ইনিংস ভালো অবস্থানে পৌঁছায়।

দ্বিতীয় সেশনেও ব্যাট হাতে ভালো করেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সাদমান ও মুমিনুল হক যোগ করেন ৬০ রান। ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূরণের পর ৬৭ রানে আউট হন সাদমান।

এরপর মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ইতিবাচক ব্যাটিং করলেও কেউই অর্ধশতক পূরণ করতে পারেননি। ইয়ামিন আহমেদজাইয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৯ রান করেন মুমিনুল। কায়েস আহমেদের বলে রহমানউল্লাহর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শান্ত। তাঁর সংগ্রহ ২৯ রান।

এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। ৭ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি।

মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন লিটন দাস। মিরাজ ২৪ রানে বোল্ড হয়ে ফিরলেও ৮৭ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন লিটন। তবে অর্ধশতকের পর আর মাত্র ৩ রান যোগ করেই আউট হন তিনি।

লিটনের বিদায়ের পর ২ রান করে আউট হন হাসান মাহমুদ। এতে ৮ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। শেষ দিকে তাইজুলের ৪ ও নাঈমের অপরাজিত ১১ রানে প্রথম দিন শেষে ৩১৭ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিক নয়, সফরকারী বাংলাদেশ দল।

আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সালিম। এ ছাড়া ইয়ামিন আহমেদজাই ও ইসমাত আলম ২টি করে এবং কায়েস আহমেদ ১টি উইকেট শিকার করেছেন।