আফগানিস্তানের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে নজর কাড়লেও বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙতে পারেননি তানজিদ হাসান তামিম। আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে ৭১ বলে ৮৩ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি ছক্কা ও আটটি চার।
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ইনিংসের শুরু থেকেই আফগানিস্তানের পেস ও স্পিন আক্রমণের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন দুই ওপেনার তানজিদ ও সাদমান ইসলাম।
এক প্রান্তে সাদমান সতর্কভাবে ব্যাটিং করে উইকেট ধরে রাখেন। অন্য প্রান্তে দ্রুত রান তুলতে থাকেন তানজিদ। মাত্র ৪১ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। উদ্বোধনী জুটিতে দ্রুত রান তুলে বাংলাদেশকে ভালো সূচনা এনে দেন দুই ব্যাটার। ১৮ ওভার শেষ হওয়ার আগেই দলীয় সংগ্রহ ১০০ ছাড়িয়ে যায়।
প্রথম সেশনে বাংলাদেশ ২৬ ওভারে ১৩৪ রান করে একটি উইকেট হারিয়ে মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যায়। এ সময় দলের রান তোলার হার ছিল ওভারপ্রতি ৫.১৫। বিরতির কিছুক্ষণ আগে সাজঘরে ফেরেন তানজিদ।
ইনিংসের ২৩তম ওভারে পেসার ইসমত আলমের বলে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বাইরে বেরিয়ে যাওয়া বলে ব্যাট ছোঁয়াতে গেলে বলটি উইকেটকিপার ইসমাইল খিলের গ্লাভসে জমা পড়ে। ১২৪ রানে ভাঙে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি।
তানজিদের সামনে সুযোগ ছিল বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড নিজের করে নেওয়ার। ২০১০ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৪ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিম ইকবাল। নিজের আদর্শের গড়া ১৬ বছরের সেই রেকর্ড এবারও অক্ষত থাকল।
অস্ট্রেলিয়া সফরে ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি করেছিলেন তানজিদ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ভিন্ন কন্ডিশনে এবার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন তিনি। তবে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছানোর আগে ৮৩ রানেই থামতে হয় তাঁকে।
তানজিদ আউট হওয়ার পর ফিফটি পূর্ণ করেন সাদমান ইসলাম। তাঁর সঙ্গে ব্যাটিং চালিয়ে যাচ্ছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হক। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৬৬ রান। সাদমান ৫৮ ও মুমিনুল ২২ রানে ব্যাট করছিলেন।
আরও পড়ুন:







