অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে। ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা স্বাগতিকরা প্রথম ইনিংসের মতো ভেঙে পড়েনি। যদিও প্রায় দুই সেশনে চার উইকেট তুলে নিয়ে চাপ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ, শেষ সেশনে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে দিন শেষ করেছে অস্ট্রেলিয়া। ৬৭ রানে পিছিয়ে থেকে চতুর্থ দিনের অপেক্ষায় রয়েছে তারা।
অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেন শান্তর হাফ সেঞ্চুরি ও মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে শক্ত অবস্থানে থেকে ইনিংস শেষ করে সফরকারীরা।
শনিবার তৃতীয় দিনের খেলায় লাঞ্চের পরপরই অলআউট হয় বাংলাদেশ। চার উইকেট হাতে নিয়ে দিন শুরু করা অস্ট্রেলিয়ার বাকি চার উইকেটই নেন জশ হ্যাজলউড। এই অস্ট্রেলিয়ান পেসার ইনিংসে মোট ৬ উইকেট শিকার করেন।
২২৮ রানের ঘাটতি নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হাসান মাহমুদের গতির কাছে ৩৭ রানে দুই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। জেক ওয়েদারাল্ড বোল্ড হয়ে ডাক মারেন। এরপর আরেক ওপেনার ট্র্যাভিস হেডও বোল্ড হন।
এরপর মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন। চা বিরতির পর দারুণ বোলিংয়ে লাবুশেনকে বোল্ড করেন তাইজুল ইসলাম। ৩১ রান করা লাবুশেনের বিদায়ে ভাঙে ৩৬ রানের জুটি।
এরপর স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন বাংলাদেশের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিলেন। শেষ পর্যন্ত বিকেলের সেশনের মাঝামাঝি সময়ে এই জুটিও ভেঙে দেন মিরাজ। ৮৮ বলে ৪৪ রান করে বাংলাদেশি অফস্পিনারের বলে ফিরতি ক্যাচ দেন স্মিথ।
শেষ পর্যন্ত সতর্ক ব্যাটিংয়ে ব্যবধান কমাতে থাকেন গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারি। ৯৪ বলে ৩৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন শেষ করেন তারা। গ্রিন ৪৩ এবং ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত আছেন। তৃতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৬১ রান।
আরও পড়ুন:








