সোমবার

৬ জুলাই, ২০২৬ ২২ আষাঢ়, ১৪৩৩

মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৬ জুলাই, ২০২৬ ০৮:৪০

শেয়ার

মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড
ছবি সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় লড়াইয়ে স্বাগতিক মেক্সিকোকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জুড বেলিংহামের জোড়া গোল এবং অধিনায়ক হ্যারি কেইনের একটি গোল ইংলিশদের জয় নিশ্চিত করে।

কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর আজতেকা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় স্বাগতিক মেক্সিকো ও ইংল্যান্ড। গরম আবহাওয়া, উচ্চতা এবং ৮০ হাজারের বেশি মেক্সিকান সমর্থকের প্রবল সমর্থনের মধ্যেই মাঠে নামে দুই দল।

ম্যাচের প্রথম মিনিটেই ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ইংল্যান্ডের ডেক্লান রাইস। প্রথম ৩৫ মিনিটে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো এবং একের পর এক আক্রমণে ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে।

তবে ৩৬তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে বুকায়ো সাকার ক্রসে জুড বেলিংহাম হেডে গোল করে ইংল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এবারের বিশ্বকাপে এটি ছিল তার তৃতীয় গোল।

এর মাত্র দুই মিনিট পর, ৩৮তম মিনিটে হ্যারি কেইনের অ্যাসিস্ট থেকে আবারও গোল করেন বেলিংহাম। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার এবারের আসরে এটি ছিল চতুর্থ গোল। ফলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

তবে দুই গোল হজম করার পর দ্রুতই ম্যাচে ফেরে স্বাগতিকরা। ৪২তম মিনিটে জুলিয়ান কুইনোনেস গোল করে ব্যবধান ২-১ করেন। এই স্কোরলাইন নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও মেক্সিকো ধারাবাহিক আক্রমণ চালিয়ে ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষককে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলে।

এক পর্যায়ে ভিএআরের সহায়তায় ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যারেল কুয়ানশাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।

এরপর বক্সের ভেতরে ফাউলের কারণে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

তবে ম্যাচে নাটকীয়তা তখনও শেষ হয়নি। আবারও ভিএআরের সহায়তায় বক্সের ভেতরে হ্যারি কেইনের ফাউলের সিদ্ধান্ত দিয়ে মেক্সিকোকে পেনাল্টি দেন রেফারি। ৬৯তম মিনিটে স্পট কিক থেকে গোল করেন রাউল হিমেনেজ। ফলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-২।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে ৩-২ ব্যবধানের জয় নিয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। এই জয়ের মধ্য দিয়ে আজতেকা স্টেডিয়ামে ৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটায় ইংলিশরা।



banner close
banner close