রবিবার

৫ জুলাই, ২০২৬ ২১ আষাঢ়, ১৪৩৩

উনাহির জোড়া গোলে শেষ আটে মরক্কো

প্রকাশিত: ৫ জুলাই, ২০২৬ ০১:০০

শেয়ার

উনাহির জোড়া গোলে শেষ আটে মরক্কো
ছবি সংগৃহীত

ধৈর্য্যের ফল একটু বেশিই মিষ্টি হয়। হিউস্টনে আজ সেটারই প্রতিফলন দেখা গেল। মরক্কো-কানাডা ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস প্রধমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে কেবল আজ্জেদিন উনাহি শো দেখেছে বিশ্ব। জিরানোর এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের জোড়ার সুবাধে বিশথ্বকাপের সহ-আয়োজক কানাডাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে মোহাম্মদ ওয়াহাবির শিষ্যরা।,

হিউস্টনে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টার ম্যাচে ডেডলক ভাঙে ৫০ মিনিটে। দ্বিতীয় গোলটি হয় নির্ধারিত সময়ের মিনেট আট আগে। যোগ করা সময়ে কানাডার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন সুফিয়ান রাহিমি।

এদিন ম্যাচ ঘড়ির দ্বিতীয় মিনিটে ইয়াসিন বুনুর দারুণ কৃতিত্বে রক্ষা পায় মরক্কো। লাইল্যার দুর্দান্ত গতিতে বাইলাইনের দিকে ছুটে যাওয়া কানাডাকে ম্যাচের প্রথম কর্নার এনে দেয় এসময়। তবে সেট-পিস স্পেশালিস্ট এউস্তাকিও-র বাঁকানো ইনসুইঙ্গার শটটি দারুণভাবে পাঞ্চ করে ফিরিয়ে দেন বুনু। এরপর ডেভিডের উদ্দেশ্যে বাড়ানো একটি আশাজাগানিয়া বল থেকে কানাডিয়ান স্ট্রাইকার কোণাকুণি শট নিলেও বুনু সেটি রুখে দিতে ভুল করেননি।,

তার ঠিক ৯ মিনিট পর আবারও ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান বুনু! ডি-বক্সের প্রান্তে বাড়ানো একটি নিচু বল ধরে ওলুয়াসেয়ি চটজলদি ঘুরে গিয়ে লক্ষ্যের দিকে নিচু শট নেন। তবে মরক্কোর অভিজ্ঞ গোলকিপার ততক্ষণে নিজের পজিশন সামলে নিয়ে অ্যাঙ্গেল বা কোণ ছোট করে এনেছিলেন এবং পা বাড়িয়ে দুর্দান্তভাবে বলটি রুখে দেন। আরও একবার বিপদমুক্ত হয়অ্যাটলাস লায়ন্সরা।

ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিট চেষ্টা করেও গোলের দেখা পায়নি কানাডা ও মরক্কো। এই অর্ধে বল দখলে মরক্কো এগিয়ে থাকলেও, সুযোগ বেশি তৈরি করেছে কানাডা। কানাডার একটি শটের বিপরীতে মরক্কো শট নিয়েছে চারটি। যেখানে কানাডার ২টি শট লক্ষ্যে ছিল এবং মরক্কোর মাত্র ১টি।,

বিরতি থেকে ফিরে ৫ মিনিটের মাথায় ডেডলক ভাঙে মরক্কো। দারুণ এক ফ্রি-কিক পরিকল্পনা থেকে ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে বুলেট গতির শটে গোল করেন উনাহি। আশরাফ হাকিমি বলটি স্লাইড করে তাঁর সতীর্থের দিকে বাড়িয়ে দিয়েছিলেন, আর সেখান থেকে নিখুঁত দক্ষতায় বল পোস্টের নিচের ডান কোণ দিয়ে জালে জড়ান উনাহি। এরপর ৮২ মিনিটে মরক্কোর হয়ে আরও একটি গোল করেন তিনি। বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় গোল।

যোগ করা সময়ে গোলের জন্য কানাডার মরিয়া তখনই ব্যবধান বাড়ায় মরক্কো। ব্রাহিম দিয়াজকে মাঝমাঠে বিশাল ফাঁকা জায়গা ছেড়ে দেওয়া হলে তিনি কিছুটা সময় নিয়ে বল বাড়ান রাহিমির দিকে। আর সেখান থেকে নিখুঁত দক্ষতায় নিচু শটে ক্রেপোকে পরাস্ত করে বল পোস্টের নিচের ডান কোণ দিয়ে জালে জড়ান রাহিমি। শেষ পর্যন্ত ৩-০ ব্যবধানে শেষ হয় ম্যাচ।,



banner close
banner close