নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘সি’-এর প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে ব্রাজিল। ফলে শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে শুরু হওয়া সেলেসাওদের অভিযানে এসেছে হতাশার ছাপ।
ম্যাচের শুরু থেকেই মরক্কো আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। তাদের গতি ও পরিকল্পিত আক্রমণে কিছুটা অগোছালো দেখায় ব্রাজিলকে। ২১ মিনিটে ব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত থ্রু-পাস থেকে ইসমাইল সাইবারি গোল করে মরক্কোকে এগিয়ে দেন। ব্রাজিলের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে আলিসন বেকারের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।
তবে পিছিয়ে পড়ার ১১ মিনিট পরই সমতায় ফেরে ব্রাজিল। বাঁ প্রান্ত দিয়ে এগিয়ে গিয়ে ব্রুনো গিমারেসের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ার পর ডি-বক্সে ঢুকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ডান পায়ের কার্ভ শটে গোল করে স্কোরলাইন ১-১ করেন।
বিরতির আগে লুকাস পাকেতার ভলিতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলেও মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো দুর্দান্ত সেভে দলকে রক্ষা করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় ব্রাজিল। ৫২ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের পাস থেকে ইগর থিয়াগো গোলের সুযোগ পেলেও বুনো আবারও অসাধারণ সেভ করেন। এরপরও রাফিনিয়া, গিমারেস ও বদলি খেলোয়াড়দের নিয়ে আক্রমণ চালালেও কাঙ্ক্ষিত গোল পায়নি ব্রাজিল।
অন্যদিকে মরক্কোও শেষ দিকে পাল্টা আক্রমণে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা ১০ মিনিটের একেবারে শেষ দিকে জয়সূচক গোলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তাদের সামনে। তবে আলিসন বেকারের পরপর দুটি দুর্দান্ত সেভ ব্রাজিলকে পরাজয়ের হাত থেকে রক্ষা করে।
পরিসংখ্যানে দুই দলের লড়াই ছিল প্রায় সমান। ব্রাজিল ৫১ শতাংশ বলের দখল রেখে ১৩টি শট নেয়, যার ৫টি ছিল লক্ষ্যে। মরক্কো ১৪টি শট নিয়ে ৩টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়।
গ্রুপ ‘সি’-তে ব্রাজিল তাদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে ২০ জুন হাইতির বিপক্ষে। একই দিনে মরক্কো মুখোমুখি হবে স্কটল্যান্ডের।
আরও পড়ুন:








