লিটন দাসের মাস্টারক্লাস ব্যাটিং উপভোগ করলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। দুর্দান্ত সব স্ট্রোকে দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন টাইগার ব্যাটার। যদিও তার সতীর্থরা ছিলেন ছায়া হয়ে। ফলস্বরূপ পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ইনিংসে ৩০০ পেরুতে পারেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
আজ (১৬ মে) সিলেটে টস ভাগ্য জিতেন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। সবুজাভ উইকেটে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি তাকে। তার আমন্ত্রণেই বিপাকে বাংলাদেশ দল। দিনের তৃতীয় সেশনে ৭৭ ওভারে অলআউট হয় ১৭৮ রানে। ১২৬ রানের ইনিংস উপহার দেন লিটন দাস।
দিনের প্রথম দুই সেশনে ৩টি করে মোট ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শেষ সেশনের শুরুতে হারায় আরেকটি। সাজঘরে ফেরা সাত ব্যাটারের কেউ পেরুতে পারেনি ৩০ রান। উইকেটে টিকে থাকা লিটনের ব্যাটে কার্যত ২০০ ছাড়িয়ে যায় স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশ টেস্টের প্রথম সকাল শেষ করে ৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়। দলের রানের খাতা খোলার আগেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হন তিনি। সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে থামেন তানজিদ হাসান তামিম (২৬) এবং মুমিনুল হক (২২)। তানজিদ আব্বাসের দ্বিতীয় শিকার হন। মুমিনুলের উইকেট নেন খুররাম শেহজাদ।
নাজমুল হোসেন শান্ত, যিনি মিরপুর টেস্ট জয়ের কারিগর ছিলেন, সিলেটে থামেন ২৯ রানে। টাইগার অধিনায়কও আব্বাসের শিকার বনেন। দ্বিতীয় সেশনে শান্তর পর মাঠ ছাড়েন মুশফিকুর রহিম (২৩)। এবং মেহেদি হাসান মিরাজ (৪)। দুজনকেই আউট করেন খুররাম শেহজাদ। অর্থাৎ দিনের প্রথম দুই সেশনে দুই পাকিস্তানি পেসার কঠিন করে তুলে টাইগারদের জীবন।
চা-বিরতির পর পথ হারান তাইজুল ইসলাম। তাকে বোল্ড করে শিকারির খাতায় নাম যোগ করেন সাজিদ খান। ইনিংসের ৭১তম ওভারে খুররামে বলে বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরি উদযাপনে করেন লিটন। পরের বলেই মারেন বিশাল এক ছক্কা। তার আগেই আউট হন তাসকিন আহমেদ (৭)। তিনি খুররামের চতুর্থ শিকার হন।
৭৭তম ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস থামিয়ে দেন হাসান আলি। ম্যাচের শুরুতেই আঘাত পাওয়া এই পেসার দ্বিতীয় বলে ক্যাচ বানান লিটনকে। এরপর ওভারের শেষ বলে নাহিদ রানাকে (০) উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান।,
আরও পড়ুন:








