সবশেষ অদম্য কাপে খেলা হয়নি তাসকিন আহমেদের। সাইনাস রোগে আক্রান্ত হয়ে বিশ্রামে ছিলেন। বিসিএলেও বিশ্রামে থাকার কথা ছিল। কিন্তু মাঠে ফিরেছেন তাসকিন। গতকাল বাংলাদেশের পেস তারকা খেলেছেন সেন্ট্রাল জোনের হয়ে।
অসুস্থতা থেকে ফেরার কথা জানিয়ে তাসকিন বলেন, ‘সর্বপ্রথম আলহামদুলিল্লাহ যে মাঝখানে একটু শরীর অসুস্থ ছিল দেখে কিছুদিন বোলিং অফ ছিল। এজন্য বোলিং ওয়ার্কলোড বাড়িয়ে প্রথম ম্যাচটা না খেলে সেকেন্ড ম্যাচ থেকে খেলা শুরু করেছি। আর অনেকদিন পরে ওডিআই খেলে জিতলাম, বোলিং মোটামুটি ভালো হয়েছে। সামনে আরও ভালো হবে ইনশাআল্লাহ। তো ওভারঅল খুব ভালো লাগছে।’
বগুড়ার উইকেট নিয়ে তাসকিন বলেন, ‘বগুড়ার কন্ডিশনটা খুবই দারুণ লেগেছে। উপযুক্ত স্পোর্টিং কন্ডিশন, ব্যাটিং-বোলিং দুটাতেই সুবিধা আছে। যদিও বোলারদের মার্জিন এখানে অনেক শর্ট, যেটা বিদেশের ফ্ল্যাট উইকেটগুলোতে এমন থাকে। তো বগুড়ায় অনেকদিন পরে খেললাম, তো খেলে যেটা মনে হলো যে, এখানে খেললে ব্যাটার বোলার দুজনেরই উন্নতির সুযোগ থাকবে। খুব ভালো কন্ডিশন, আশা করছি সামনে বগুড়া স্টেডিয়ামের আরও উন্নতি হবে।’
রনির ৬৬ রানের ইনিংস নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তাসকিন, ‘খুবই আউটস্ট্যান্ডিং ইনিংস খেলেছে আসলে। ম্যাচটা আমাদের একটা পর্যায়ে বল টু বল রান এসে গিয়েছিল এবং আমাদের একটু কাউন্টার অ্যাটাক প্রয়োজন ছিল। ওই সময় আমাদের কোচ রনিকে পাঠায় এবং সে দারুণ ইনিংস খেলে আমাদেরকে একটা দারুণ জয় দিয়েছে। সবমিলিয়ে আমি খুব খুশি।’
আম্পায়ারিং নিয়ে আলোচনার বিষয়ে তাসকিন বলেন, ‘না না, সত্যি বলতে দুটা দলেরই কিন্তু আজকে বাঁচা-মরার ম্যাচ ছিল। তাই সবাই জিততে চেয়েছে, খুব সিরিয়াস ছিল। আসলে এখানে তো ডিআরএসও নাই। কিছু সিদ্ধান্ত আসলে আমরা যখন ফিল্ডিং দল মাঠে থাকি, আমাদের কাছে তো সবকিছুই আউট মনে হয়। তো আম্পায়াররা সিদ্ধান্ত দেন এবং মানুষ মাত্রই ভুল। কোনো ছোটখাটো ভুল হতেও পারে, অনেক সময় হয়, হয় না। কিন্তু সবমিলিয়ে তো ঠিকই ছিল, তেমন কিছু মনে হয় না।
আরও পড়ুন:








