বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় ক্রীড়াঙ্গনে বাড়ছে অস্বস্তি। দেশটির ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির (নাডা) নজরদারিতে এসেছে ৩৪৭ জন খেলোয়াড়। ওই তালিকার ১১৮ জনই অ্যাথলেট। তার মাঝে রয়েছে জাসপ্রিত বুমরাহ, স্মৃতি মান্দানা ও শুভমান গিলের মতো বড় নাম।
নাডা’র প্রকাশিত সবশেষ তালিকায় রয়েছে ১৪ জন ক্রিকেটার। বুমরাহ-গিল ছাড়াও পুরুষ খেলোয়াড়দের মাঝে আছেন শ্রেয়াস আইয়ার, যশস্বী জয়সওয়াল, হার্দিক পান্ডিয়া, ঋষভ পান্ত, লোকেশ রাহুল, অর্শদীপ সিং, তিলক বর্মা। নারী দলের থেকে মান্দানা ছাড়াও নজরদারিতে জেমিমা রদ্রিগেজ, দীপ্তি শর্মা, শেফালি বর্মা ও রেণুকা সিংহ ঠাকুর।
এ বছরে অনুষ্ঠিতব্য কমনওয়েলথ গেমস ও এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে প্রস্তুতি, পাশাপাশি ভারতে কঠোর অ্যান্টি-ডোপিং ব্যবস্থা কার্যকর করার কারণেই এই তালিকা লম্বা হয়েছে। এই তালিকা শুধু সন্দেহ কাটিয়ে ওঠার জন্যই করা হয়েছে বলে বোর্ডের বরাতে জানিয়েছে দেশটির একাধিক গণমাধ্যম।
তবে ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি প্রকাশিত ২০২৪ সালের টেস্টিং ফিগার রিপোর্ট অনুযায়ী, টানা তৃতীয় বছরের মতো বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ডোপ অপরাধীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ভারত। প্রতিবেদনে মোট ২৬০টি অ্যাডভার্স অ্যানালাটিক্যাল শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে অ্যাথলেটিক্সে ৭৬টি, ভারোত্তোলনে ৪৩টি এবং কুস্তিতে ২৯টি।
তালিকায় থাকা খেলোয়াড়দের সারা বছরের সম্ভাব্য সূচি জানাতে হয় নাডা কর্তৃপক্ষকে। সূচি পরিবর্তন হলে তাও জানাতে হয়। কখন কোথায় থাকবেন, জানাতে হয় তাও। সেই অনুযায়ী তাদের ডোপ পরীক্ষা করা হয়। নাডার সিদ্ধান্ত মতো পর পর তিনবার কোনো খেলোয়াড় ডোপ পরীক্ষা না দিলে তাকে শাস্তি পেতে হয়।
আরও পড়ুন:








