শনিবার

২৩ মে, ২০২৬ ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

দুই হাফ সেঞ্চুরিয়ানকে ফিরিয়ে দ্বিতীয় সেশন বাংলাদেশের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:৩২

শেয়ার

দুই হাফ সেঞ্চুরিয়ানকে ফিরিয়ে দ্বিতীয় সেশন বাংলাদেশের
ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের প্রথম টেস্টের প্রথম সেশনে বাজে ফিল্ডিংয়ে হতাশায় কেটেছিলো। দ্বিতীয় সেশনে তিন উইকেট নিয়েছে তারা। পল স্টার্লিংয়ের পর কেড কারমাইকেলও অভিষেকে হাফ সেঞ্চুরি করে থেমেছেন। এই সেশনে ৯০ রান যোগ করেছে আয়ারল্যান্ড। চার উইকেটে ১৮৪ রানে চা বিরতিতে গেছে তারা। কুর্টিস ক্যাম্ফার ৩৫ ও লোরকান টাকার ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

প্রথম সেশনের মতো দ্বিতীয় সেশনেও শুরুটা গেছে বাংলাদেশের পক্ষে। লাঞ্চের পর তৃতীয় বলে পল স্টার্লিংকে সাদমান ইসলামের ক্যাচ বানান নাহিদ রানা।

কেড কারমাইকেলের সাথে তার জুটি ছিলো ৯৬ রানের। ৯৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দ্বিতীয় সেশনের খেলা শুরু করেছিলো আইরিশরা। ৭৬ বলে নয় চারে ৬০ রান করে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ হন স্টার্লিং।

পরের ওভারে নতুন ব্যাটার হ্যারি টেক্টরকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ছয় বলে এক রান করেন তিনি। লাঞ্চ ব্রেকের পর প্রথম ১১ বলে দু’টি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ, এক রানের ব্যবধানে। এক উইকেটে ৯৪ রান করা আয়ারল্যান্ড তৃতীয় উইকেট হারিয়েছে ৯৭ রানে।

অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা কারমাইকেল মেহেদী হাসান মিরাজের বলে নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচ হন। আম্পায়ার আউট না দিলেও রিভিউয়ে সিদ্ধান্ত পালে্‌ট যায়। ১২৯ বলে সাত চারে ৫৯ রান করেন তিনি। কুর্টিস ক্যাম্ফারের সাথে তার জুটি ছিলো ৫৩ রানের।

তার আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিলো আয়ারল্যান্ড। অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি ডাক মারেন। তারপর গল্পটা বাংলাদেশের হতো পারতো। কিন্তু সকালে সেশনের ক্যাচ মিস করে হতাশায় ডুবতে হয়েছে।

সাদমান ও মিরাজের হাত ফসকে দুইবার জীবন পান স্টার্লিং। পঞ্চম ও সপ্তম ওভারে ৮ ও ১০ রান ছিলো তখন তার নামের পাশে।

কারমাইকেলের সঙ্গে ২১তম ওভারে আয়ারল্যান্ডের হয়ে দ্বিতীয় উইকেটে রেকর্ড জুটি গড়েন স্টার্লিং। এই জুটিতে আইরিশদের আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৫। পরের ওভারে হাসান মাহমুদকে চার মেরে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট ফিফটি করেন ৬১ বলে।

প্রথম সেশনে বাংলাদেশের হতাশা বাড়িয়েছেন স্টার্লিং ও কারমাইকেল। দুজনে মিলে ৯৪ রান যোগ করে লাঞ্চ ব্রেকে যান। ২৬ ওভার শেষে ৫৮ রানে স্টার্লিং ও কারমাইকেল ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন। বিরতির আগে বালবির্নির পর আর কোনো উইকেট হারায়নি আয়ারল্যান্ড।

এর আগে টস হেরে বোলিংয়ে নেমে ইনিংসের চতুর্থ বলে বালবির্নিকে আউট করে বাংলাদেশের দারুণ শুরু হয়। তারপর ক্যাচ মিসের মহড়া। টানা তিন ওভারে তিনটি ক্যাচ ফসকে যায়।



banner close
banner close