রবিবার

১১ অক্টোবর, ২০২৬ ২৬ আশ্বিন, ১৪৩৩

সর্বশেষ
শাহজালালে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার হীরা ও স্বর্ণালঙ্কার জব্দ পাকিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ কাজী নজরুল বাংলাদেশের, কিন্তু তার বার্তা পুরো মানবজাতির জন্য: সংস্কৃতিমন্ত্রী পশ্চিম আফ্রিকার দেশ জিবুতি উপকূলে নৌকাডুবি; ১০৯ অভিবাসীর মৃত্যু জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছাড়ালো, আক্রান্তের সংখ্যা লাখের কোঠায় রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস: এক দিনের জন্য ঢাবি উপাচার্যের দায়িত্বে এইচএসসি শিক্ষার্থী শীতল

মাহমুদউল্লাহ-ফাহিমের ঝড়ে বরিশালের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১৭:৪৯

আপডেট: ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১৭:৫৮

শেয়ার

মাহমুদউল্লাহ-ফাহিমের ঝড়ে বরিশালের জয়
জয়ের পর মাহমুদউল্লাহ-ফাহিমের উল্লাস। ছবি: সংগৃহীত

বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৭ রান করে দুর্বার রাজশাহী। জবাবে খেলতে নেমে ১৯ ওভার ১ বলে ৬ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে বরিশাল।

জয়ের জন্য শেষ ৫ ওভারে ফরচুন বরিশালের প্রয়োজন ছিল ৫৮ রান। ১৬তম ওভারে দুই চার ও এক ছক্কায় ১৯ রান তুলে সেই সমীকরণ সহজ করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। পরের ওভারে তিন ছক্কা ও এক চারে ২৫ রান নেন ফাহিম আশরাফ। দুই মিডল অর্ডার ব্যাটারের এমন ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ১১ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বরিশালের শুরুটা হয়েছিল ভয়াবহ। ইনিংসের প্রথম বলেই নাজমুল হোসেন শান্তকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন জিশান আলম। সুবিধা করতে পারেননি আরেক ওপেনার তামিম ইকবালও। ৫ বলে ৭ রান করেছেন অধিনায়ক।

১২ রানে দুই উইকেট হারানোর পর উইকেটে আসেন কাইল মেয়ার্স। গত আসরে দুর্দান্ত খেলা এই ক্যারিবিয়ান এবার শুরুর ম্যাচে ব্যর্থ। ৫ বলে ৬ রান করা এই হার্ডহিটারকে রায়ান বার্লের ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফিরিয়েছেন তাসকিন আহমেদ।

৩০ রানে টপ অর্ডারের ৩ ব্যাটারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে বরিশাল। সেই বিপদ আরো বাড়িয়েছেন মুশফিকুর রহিম-তাওহিদ হৃদয়রা। দুজনই শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি।

৬১ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ষষ্ঠ উইকেটে মাহমুদউল্লাহকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। ১৭ বলে ২৭ রান করে আফ্রিদি ফিরলে ভাঙে ৫১ রানের জুটি। এই জুটিতে কিছুটা হলেও ম্যাচে ফেরে বরিশাল।

এরপর ফাহিম আশরাফকে নিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকে যান মাহমুদউল্লাহ। দুজনেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে সমীকরণ মেলানোয় মনোযোগ দেন। তাতে সফল দুজনই। ২৬ বলে অপরাজিত ৫৬ রান করেছেন মাহমুদউল্লাহ। আর ফাহিমের ব্যাট থেকে এসেছে ২১ বলে ৫৪ রান।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৫ রানে নিজেদের দুই উদ্বোধনী ব্যাটারকে হারায় রাজশাহী। এরপর দলের হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ আনামুল হক ও ইয়াসির আলী। এই দুইজন গড়েন ১৪০ রানের জুটি। যেখানে আনামুল দেখে খেলে ৫১ বলে ৬৫ করলেও, বরিশালের বোলারদের উপর চড়াও হন ইয়াসির। তিনি ৪৭ বলে করেন ৯৪ রান। আর এতেই ১৯৭ রানের বড় সংগ্রহ পায় তাদের দল। যদিও শেষপর্যন্ত মাহমুদউল্লাহ ও ফাহিমের তাণ্ডবে এই রান পাহাড় টপকে যায় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।