রবিবার

৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯ আশ্বিন, ১৪৩৩

সর্বশেষ
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে: গোলাম পরওয়ার চট্টগ্রামের খুলশীতে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান: গ্রেপ্তার পাঁচ ‘ভুল চিকিৎসায়’ শিশুর মৃত্যু অভিযোগ ইউনিভার্সেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে ইছামতী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ নারী, উদ্ধারে ডুবুরি অভিযান ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি; উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে ১৯টি ককটেল উদ্ধার রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে আটক ৯ গাজীপুরে প্লাস্টিকের ভাঙারি গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, সড়কে দীর্ঘ যানজট

দান-সদকা থেকে বিরত রাখতে শয়তান প্ররোচনা দেয় যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:১৬

শেয়ার

দান-সদকা থেকে বিরত রাখতে শয়তান প্ররোচনা দেয় যেভাবে
দান-সদকা থেকে বিরত রাখতে শয়তান প্ররোচনা দেয় যেভাবে

দান-সদকা মানুষের পরকাল ও দুনিয়ার জীবনকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে। দানকারীকে আল্লাহ তায়ালা নিজ হাতে প্রাচুর্য দান করেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে নবী, তাদের ধন-সম্পদ থেকে সদকা নিয়ে তাদের পাক-পবিত্র করুন, (নেকির পথে) তাদের এগিয়ে দিন এবং তাদের জন্য রহমতের দোয়া করুন।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ১০৩)

এক হাদিসে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি হালাল কামাই থেকে একটি খেজুর পরিমাণ সদকা করবে (আল্লাহ তা কবুল করবেন) এবং আল্লাহ শুধু পবিত্র মাল কবুল করেন আর আল্লাহ তার ডান হাত দিয়ে তা কবুল করেন। এরপর আল্লাহ দাতার কল্যাণার্থে তা প্রতিপালন করেন; যেমন তোমাদের কেউ অশ্ব শাবক প্রতিপালন করে থাকে, অবশেষে সেই সদকা পাহাড় বরাবর হয়ে যায়। (বুখারি, হাদিস : ১৪১০)

শয়তান মানুষকে দান-সদকার ফজিলত থেকে বঞ্চিত করতে চায়। তাই সে মানুষকে দরিদ্রতার ভয় দেখায়। কেউ সৎ পথে মাল ব্যয় করতে চাইলে শয়তান নিঃসব ও কাঙ্গাল হয়ে যাওয়ার ভয় দেখায়।

কিন্তু অন্যায় পথে ব্যয় করার সময় এই ধরনের কোন আশঙ্কা মনে আসতেই দেয় না; বরং মন্দ কাজগুলোকে এত সুন্দর করে সাজিয়ে পেশ করে এবং নিদ্রিত আশা-আকাঙ্ক্ষাকে এমনভাবে জাগিয়ে তোলে যে, মানুষ তার জন্য বিশাল পরিমাণ অর্থ অনায়াসে ব্যয় করে ফেলে।

তাইতো দেখা যায় যে, যখন কোন মসজিদ, মাদরাসা অথবা কল্যাণকর কাজের জন্য কেউ কিছু অনুদান চাইতে যায়, তখন বিত্তশালী টাকা-পয়সার মালিক এক-দু’শ টাকা দেওয়ার জন্য বার বার হিসাবের খাতা যাচাই করে এবং প্রার্থনাকারীদের অনেক সময় বহুবার আনাগোনা করতে বাধ্য করা হয়।

পক্ষান্তরে এই মানুষই অশ্লীলতা-ব্যভিচার এবং মামলা-মকদ্দমার জালে ফেঁসে গিয়ে বেহিসাব মাল ব্যয় করে। এ সব কাজে অর্থ ব্যয় করার সময় তার মধ্যে কোন প্রকারের উৎকণ্ঠা ও দ্বিধা-দন্ধ প্রকাশ পায় না!

শয়তানের প্ররোচনা এবং এই পরিস্থিতি বুঝাতে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,

اَلشَّیۡطٰنُ یَعِدُكُمُ الۡفَقۡرَ وَ یَاۡمُرُكُمۡ بِالۡفَحۡشَآءِ ۚ وَ اللّٰهُ یَعِدُكُمۡ مَّغۡفِرَۃً مِّنۡهُ وَ فَضۡلًا ؕ وَ اللّٰهُ وَاسِعٌ عَلِیۡمٌ

শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্র্যের প্রতিশ্রুতি দেয়(১) এবং অশ্লীলতার নির্দেশ দেয়। আর আল্লাহ তোমাদেরকে তার পক্ষ থেকে ক্ষমা এবং অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি দেন। আর আল্লাহ সর্বব্যাপী-প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।(সুরা বাকারা, আয়াত : ২৬৮