বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় কারামুক্ত হয়েছেন মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) আখতারুজ্জামান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় তাকে সংবর্ধনা জানাতে কারাফটকে জড়ো হন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা।
হাইকোর্টে জামিনের পর কারামুক্তি
এর আগে রবিবার (১ নভেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ আখতারুজ্জামানকে জামিন দেন।
গত ২ অক্টোবর সন্ধ্যায় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন আদালত তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিমানবন্দরের ঘটনায় যে অভিযোগ
মামলার এজাহারে বলা হয়, ১ অক্টোবর সৌদি আরবের মদিনা থেকে আসা বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের লাগেজ পেতে বিলম্ব হওয়ায় ক্ষুব্ধ হন যাত্রীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে আসেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ।
এ সময় তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার, ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া এবং মারধরের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া বিমানমন্ত্রীকে নিয়েও অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে মামলার এজাহারে।
বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগদান
দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। তবে ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। এর আগে ২০২২ সালে পঞ্চমবারের মতো তাকে বহিষ্কার করেছিল বিএনপি।
আরও পড়ুন:







