রবিবার

১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ৩ কার্তিক, ১৪৩৩

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০৫

শেয়ার

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের
ছবি সংগৃহীত

মাদকের বিস্তার রুখতে এবার রাজপথে কঠোর অ্যাকশনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। রাজধানীর ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে নিজেই অভিযানে নেমেছেন এই প্রতিমন্ত্রী। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, অপরাধের বিরুদ্ধে সরাসরি পদক্ষেপ আর দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন।

গেন্ডারিয়ায় অভিযান

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গেন্ডারিয়ার স্বামীবাগ, মুন্সিরটেক ও ঘুন্টিঘর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন ইশরাক হোসেন। এ সময় মাদক কারবারিদের প্রতিরোধ করতে নিজের লাইসেন্স করা অস্ত্র হাতে দেখা যায় তাঁকে।

আলোচনা-সমালোচনা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযানের দৃশ্য ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই ঢাকা-৬ আসনের এই সংসদ সদস্যের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, দেশের একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির এমন উদ্যোগ যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করতে এবং মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অন্যদিকে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক এই প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়ার বিষয়টিকে অনেকেই আবার নেতিবাচকভাবেও দেখছেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বাইরে একজন লাইসেন্সধারী ব্যক্তি প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে অভিযান চালাতে পারেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।

তবে অভিযানের সময় অস্ত্র হাতে নেওয়ার কারণ বাংলা এডিশনের কাছে তুলে ধরেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

জিরো টলারেন্স নীতি ও আহ্বান

অপরদিকে এই আলোচনা-সমালোচনার মাঝেই সামনে এসেছে ঢাকা-৬ আসনে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে ইশরাক হোসেনের কঠোর বার্তা।

পাশাপাশি, মাদক কারবারিদের রুখে দিতে তাঁকে সহযোগিতা করার জন্যও এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সব মিলিয়ে, ইশরাক হোসেনের মাদকের অন্ধকার থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করে একটি সুস্থ ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয়, মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থান এবং মাদকমুক্ত ঢাকা-৬ গড়ার অঙ্গীকার নতুন আশার বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকদের অনেকে।