বুধবার

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২৯ আশ্বিন, ১৪৩৩

আ. লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক, সারজিসকে বহিষ্কার ও হাসনাতকে শোকজের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৫৩

শেয়ার

আ. লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক, সারজিসকে বহিষ্কার ও হাসনাতকে শোকজের দাবি
ছবি সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করায় তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সারজিস আলমকে বহিষ্কার এবং হাসনাত আবদুল্লাহকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিলেন।

বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন রাশেদ খান। পোস্টে তিনি নেত্র নিউজের একটি সংবাদও শেয়ার করেন।

শেয়ার করা সংবাদটি নিয়ে রাশেদ খান লেখেন, ১৯ জুলাই, যেদিন সবচেয়ে বেশি মানুষ শহীদ হন বলে তিনি দাবি করেন, সেদিন সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। তাঁর দাবি, এ ঘটনার পর সারজিসকে বহিষ্কার এবং হাসনাতকে শোকজ নোটিশ দিয়েছিলেন নাহিদ ইসলাম।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আব্দুল কাদেরের ঘোষিত ৯ দফা কর্মসূচি বানচাল করতে ৮ দফা কর্মসূচি দেওয়ার অভিযোগও করেন রাশেদ খান। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম জামায়াতের ঘনিষ্ঠ অবস্থানে রয়েছেন, অথচ আব্দুল কাদেরের মতো ব্যক্তিরা ইতিহাস থেকে হারিয়ে গেছেন।

রাশেদ খানের আরও দাবি, ওই দিন হাসনাত আবদুল্লাহ ফোন করে হাসিব আল ইসলামকে মেস থেকে নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতে যান। হাসনাত ও সারজিস আরও কয়েকজনকে বৈঠকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করতে চাননি বলে বাকিরা বৈঠকে যাননি বলে উল্লেখ করেন রাশেদ খান।

তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও অন্তত আন্দোলনের সময় তাঁদের ভূমিকা সঠিক ছিল। তাঁর অভিযোগ, সে সময় হাসনাত ও সারজিস প্রকাশ্যে জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে ৯ দফা কর্মসূচি বানচালের ষড়যন্ত্রে নেমেছিলেন।

রাশেদ খান জানান, তাঁর শেয়ার করা নেত্র নিউজের সংবাদে এখনো সারজিস আলমের বহিষ্কারের তথ্য রয়েছে।