সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়া ৮৩ প্রার্থীর পক্ষে সরকারের কাছে জবাবদিহি চেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ সব প্রার্থীকে অবিলম্বে নিয়োগপত্র দেয়ার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার দেয়া এক বিবৃতিতে সাদিক কায়েম বলেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ দেয়ার পরও ৮৩ জন প্রার্থী কেন নিয়োগপত্র পাচ্ছেন না, তা স্পষ্ট নয়। কী কারণে তাদের নিয়োগ আটকে আছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পরিষ্কার ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাদিক কায়েমের ভাষ্য, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও এসব প্রার্থী নিয়োগবঞ্চিত রয়েছেন। তাদের মধ্য থেকে ১৫ জন অনশন করছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা এই সরকারের কাছে জবাবদিহি চাই, কেন এতজন চাকরিপ্রার্থী নিয়োগবঞ্চিত হলেন? অবিলম্বে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ সবাইকে নিয়োগপত্র দিতে হবে।’
বিবৃতিতে সাদিক কায়েম আরও বলেন, ‘মেধা না কোটা’ স্লোগানে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকারের উচিত মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিকে গুরুত্ব দেয়া। যোগ্যতা প্রমাণের পরও চাকরিপ্রার্থীদের অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে নিয়োগপত্রের দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা। তাদের দাবি, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও যারা নিয়োগপত্র পাননি, তাদের দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
প্রার্থীদের নিয়োগ না পাওয়ার কারণ এবং এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
আরও পড়ুন:







