সোমবার

১২ অক্টোবর, ২০২৬ ২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাশেদ খানের জৌনপুরী উচ্চারণে বিতর্ক ও দুঃখ প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক বাংলা এডিশন

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৫৬

শেয়ার

রাশেদ খানের জৌনপুরী উচ্চারণে বিতর্ক ও দুঃখ প্রকাশ
ছবি সংগৃহীত

রাশেদ খান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী। তিনি রবিবার নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আব্বাসী মঞ্জিল জৈনপুরী দরবার শরীফে আল্লামা মুফতি ড. সৈয়দ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে আলোচনা
এসময় রাশেদ খান বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বলেন। তবে আব্বাসী মঞ্জিল জৈনপুরী দরবার শরীফ উচ্চারণের সময় জৌনপুরী বলে ফেলেন রাশেদ। পরে শব্দটির ভিন্ন অর্থ সামনে নিয়ে এসে রাশেদের সমালোচনা করে নেটিজেনরা।

এছাড়া তিনি ওই আলোচনায় আল্লামা আব্বাসীর ইসলামের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা, বিভিন্ন আন্দোলনে অংশগ্রহণ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার পক্ষে অবস্থানের প্রশংসা করেন।

উচ্চারণ নিয়ে বিতর্ক
তবে এসবের ঊর্ধ্বে রাশেদের বলা জৌনপুরী উচ্চারণ নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। বিষয়টি নজরে আসলে এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টও দিয়েছেন রাশেদ খান।

দুঃখ প্রকাশ
ওই পোস্টে তিনি জৈনপুরী দরবার শরীফের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান অটুট রেখে উচ্চারণগত ভুলের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। বিষয়টি অনিচ্ছাকৃত ভুল হিসেবে বিবেচনা করে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান তিনি। এছাড়া বিএনপির এই নেতা লেখেন জৌনপুরী ও জৈনপুরী দুটো শব্দই সঠিক। ভবিষ্যতে এই শব্দদ্বয় উচ্চারণে আরও সাবধানতা অবলম্বন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রাশেদ খান।

তবে দুঃখ প্রকাশ করলেও রাশেদের পোস্টের মন্তব্যের ঘরে বিদ্রুপ করতে ছাড়েনি নেটিজেনরা। বেশিরভাগ ব্যবহারকারীই রাশেদের জৈনপুরী উচ্চারণের কঠোর সমালোচনা করে আবারও। মো. আরিফ নামের এক ব্যবহারকারী রাশেদের তৈলমর্দনের বিষয় ইঙ্গিত করে লিখেছেন নেতা বাংলা উচ্চারণ পারেন না। সাইফুল ইসলাম ব্যঙ্গ করে বলেছেন যৌনপুরী এটাই সঠিক ছিল এত বড় ক্ষমতাবান নেতার ভুল হতে পারে না। তবে এর বাইরে পোস্টের মন্তব্যে কেউ কেউ রাশেদকে সমর্থনও করেছে।

আব্বাসীর প্রশংসা
অন্যদিকে এক বক্তব্যে রাশেদ খানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মুফতি ড. সাইয়্যদে মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। তিনি বলেন রাশেদ খান একটি প্রতিবাদী কণ্ঠ ব্যক্তিগত জীবনে একজন প্র্যাকটিসিং মুসলিম। তিনি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। রাশেদ ইসলামের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করেন বলেও মন্তব্য করেন মুফতি আব্বাসী।

এছাড়া দেশের স্বার্থে গণ অধিকার পরিষদ যে ভূমিকা রেখেছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে লিপিবদ্ধ থাকবে বলেও মনে করেন এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। এমনকি ২৪ এর আন্দোলনের সূচনা করে দিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ এমন মন্তব্য করেন তিনি।

এসব কিছু মিলিয়েই এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী এবং রাশেদ খানের বক্তব্য বেশ আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।