সোমবার

১২ অক্টোবর, ২০২৬ ২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

সর্বশেষ
হালুয়াঘাট সীমান্তে বিজিবির গুলিতে যুবক নিহত, মহাসড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ২১ জানুয়ারি শুরু ইউপি নির্বাচন, পাঁচ ধাপে ভোটের পরিকল্পনা ইসির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কানাডার প্রতিমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ বেতন বৃদ্ধির দাবিতে উত্তরায় সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ জীবননগর সীমান্তে চার পিস স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারি আটক, ভ্যান জব্দ জিএম কাদেরের উত্তরার বাসভবনে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তারের দাবি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারের অভিযোগে আট শিশুসহ আটক ২৩ বাংলা এডিশনে সংবাদ প্রকাশের পর বগুড়ায় ডিবির অভিযানে কিশোর গ্যাং লিডার সুইটসহ গ্রেপ্তার দুই

জিএম কাদেরের উত্তরার বাসভবনে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:২৪

শেয়ার

জিএম কাদেরের উত্তরার বাসভবনে হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তারের দাবি
ছবি সংগৃহীত

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের উত্তরার বাসভবনে হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) দলটির চেয়ারম্যানের বার্তা সম্পাদক শৌর্য দীপ্ত সূর্য এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে জি এম কাদেরের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিক্ষোভকারীরা। জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি এবং ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ তুলে তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।

স্বৈরাচারবিরোধী সাধারণ জনগণ ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে স্থানীয় ছাত্র-জনতা ও সাধারণ নাগরিকেরা অংশ নেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা বাসভবনের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং জি এম কাদেরের বিচার দাবি করেন।

বিক্ষোভ মিছিলে ব্যবহৃত ব্যানারে কারাগারে বন্দি জি এম কাদেরের প্রতিকৃতি ছিল। এতে জুলাইয়ের শহিদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করে ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ তুলে জি এম কাদেরের গ্রেপ্তার দাবি করা হয়। পাশাপাশি ফ্যাসিবাদের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানে শত শত মানুষের প্রাণহানির বিনিময়ে অর্জিত পরিবর্তনের পরও জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।

বক্তারা বলেন, বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টি তৎকালীন সরকারকে রাজনৈতিকভাবে বৈধতা দেওয়ার ভূমিকা পালন করেছিল। নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের কোনো দোসরকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও জানান তারা।

বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে জি এম কাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।