মঙ্গলবার

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রতিশ্রুতি দিয়েও নন-এমপিও শিক্ষকদের বেতনভুক্ত করছে না সরকার: মুজিবুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৪০

শেয়ার

প্রতিশ্রুতি দিয়েও নন-এমপিও শিক্ষকদের বেতনভুক্ত করছে না সরকার: মুজিবুর রহমান
ছবি: সংগৃহীত

শর্ত পূরণ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত এমপিও দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি। তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনের আগে বলেছিল তারা ক্ষমতায় গেলে নন এমপিও শিক্ষকদের এমপিও করে দেবে। কিন্তু তারা এখন তা করছে না। এসময় অধিকার আদায়ে শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিভাগের প্রধান উপদেষ্টা মুজিবুর রহমান বলেন, যারা শিক্ষকতার সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত এবং শেষ জীবনে এসে খালি হাতে কর্মজীবন থেকে তাদের বিদায় করা খুবই অমানবিক। তাই মানবিক কারণে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের উচিত তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। নন এমপিও শিক্ষকরা সাধারণ জীবনযাপন করতে পারছেন না। এজন্য তাদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ও সরকারের সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি দেয়া উচিত।

তিনি বলেন, আমরা শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিকে সমর্থন করি। কিন্তু অতীতে ফ্যাসিবাদী সরকার শিক্ষকদের যৌক্তিক আন্দোলনকে স্তিমিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওকরণ করার কথা বলে তা না করে ধোঁকাবাজি করেছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের অনেক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা তাদের ন্যায্য পাওনা পাচ্ছেন না। অবিলম্বে তাদের পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। শিক্ষকদের দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে পাশে থাকবে জামায়াত।

এ সময় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে। এ বৈষম্য দূর করতে হবে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিও করার ক্ষেত্রে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

শিক্ষক নেতারা বলেন, নন এমপিও শিক্ষকরা কিভাবে জীবন কাটাচ্ছে, পেটে ভাত যাচ্ছে কিনা সেসব ভাবছে না সরকার, বরং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়াচ্ছে। অথচ প্রত্যন্ত অঞ্চলের নন এমপি প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার দ্বার উন্মোচন করে দিচ্ছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে অনেক শিক্ষার্থীর উচ্চ শিক্ষার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে।