শুক্রবার

৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০ ভাদ্র, ১৪৩৩

শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ শুরুর কারণ জানাল ১১ দলীয় ঐক্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:০৮

শেয়ার

শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ শুরুর কারণ জানাল ১১ দলীয় ঐক্য
ছবি সংগৃহীত

গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে সমাবেশের মধ্য দিয়ে সকালে এ কর্মসূচি শুরু হবে। পরে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ এলাকা, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার, ফেনীর মহিপাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সভা শেষে রাতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

লংমার্চকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে লংমার্চের সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনসহ নেতৃবৃন্দ।

শাপলা চত্বর বেছে নেওয়ার কারণ

১১ দলীয় ঐক্যের সংশ্লিষ্ট নেতারা জানান, বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামে শাপলা চত্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় এই স্থান থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, অসংখ্য আন্দোলন সংগ্রামের সুতিকাগার ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চের শুভ সূচনা হয়ে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে গিয়ে শেষ হবে।

তিনি জানান, ১১ দলীয় ঐক্যের ছয় দফা জনগণের অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক দাবি। রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে সমাবেশ শেষে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হবে।

আন্দোলনের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক

১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা জানান, রাজধানীর শাপলা চত্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি জোটের বড় বড় আন্দোলন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের জন্যও স্থানটি আলোচিত।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, শাপলা চত্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্বের পাশাপাশি লংমার্চের যাত্রার সুবিধার বিষয়টি বিবেচনা করেও এখানে জনসভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।