মঙ্গলবার

১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭ ভাদ্র, ১৪৩৩

রাজধানীতে চিহ্নিত আওয়ামী সন্ত্রাসীর প্রকাশ্যে অপতৎপরতা

নিউজ ডেস্ক বাংলা এডিশন

প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:১৯

আপডেট: ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪

শেয়ার

রাজধানীতে চিহ্নিত আওয়ামী সন্ত্রাসীর প্রকাশ্যে অপতৎপরতা
ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর দক্ষিণখান ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ও ত্রাসের আরেক নাম বিতর্কিত আওয়ামী লীগ নেতা, চিহ্নিত খুনি ও চাঁদাবাজ আমিনুল ইসলাম হান্নান ওরফে জাপানি হান্নান।

অতীত অপরাধের তালিকা

তার অতীত অপরাধের তালিকা দীর্ঘ। ২০২১ সালের একটি হত্যা মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল হয়েছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। এছাড়া, জুলাই আন্দোলনের মামলা, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। পরে, জামিনে মুক্ত হন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট

আইনি জটিলতার মাঝেই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ছড়ানো হচ্ছে একের পর এক উসকানিমূলক পোস্ট। সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে সড়ক নির্মাণ নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যের পাশাপাশি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নানা প্রচারণা ও স্বৈরাচারী সরকারের সাবেক মন্ত্রী, দীপু মনিকে নিয়েও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নানা বক্তব্য দিচ্ছেন হান্নান।

স্থানীয়দের ক্ষোভ ও দাবি

অপরাধের ফিরিস্তি থাকা সত্ত্বেও, হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, হান্নান সক্রিয় হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। অবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের।

চিহ্নিত এই ফ্যাসিবাদের দোসরের নতুন তৎপরতায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় রাজনৈতিক মহলও। এলাকায় কোনো অপশক্তিকে মাথাচাড়া না দেয়ার প্রত্যয় জানানোর পাশাপাশি, নেতাকর্মীদের সজাগ থাকা ও প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের।

রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিক্রিয়া

যেকোনো অপচেষ্টা রাজনৈতিকভাবে প্রতিরোধের কথা জানিয়ে, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সরকারবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা কঠোরভাবে দমন করার হুঁশিয়ারি দেন। একইসাথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পুলিশের বক্তব্য

এদিকে, বিমানবন্দর থানা পুলিশ জানিয়েছে, জাপানি হান্নানের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। নতুন করে কোনো সহিংসতা বা নাশকতার প্রমাণ মিললেই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

কামরুজ্জামান তালুকদার, ওসি, বিমানবন্দর থানা। আওয়ামী লীগের দোসর ও বিতর্কিত এই ব্যক্তি কীভাবে আবার, প্রভাব বিস্তারের সাহস পাচ্ছে, তা দ্রুত খতিয়ে দেখে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি সর্বস্তরের মানুষের।