শুক্রবার

২১ আগস্ট, ২০২৬ ৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

শাপলা চত্বর থেকে শুরু ১১ দলের লংমার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ আগস্ট, ২০২৬ ০৭:৩২

শেয়ার

শাপলা চত্বর থেকে শুরু ১১ দলের লংমার্চ
ছবি সংগৃহীত

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশের মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

হামিদুর রহমান আযাদ জানান, লংমার্চটি ঢাকা থেকে শুরু হয়ে নারায়ণগঞ্জের মদনপুর, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা করবে। এরপর চট্টগ্রামে গিয়ে কর্মসূচি শেষ হবে। পথে বিভিন্ন স্থানে স্থানীয়রা লংমার্চের বহরকে অভ্যর্থনা জানাবেন এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা পর্যায়ে অভ্যর্থনার পর স্থানীয়রাও বহরে যোগ দেবেন।

সভায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগ ও দায়িত্বশীলদের প্রস্তুতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং কর্মসূচি সফল করতে করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভাপতির বক্তব্যে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লংমার্চকে জাতীয় সিরিজ কর্মসূচি হিসেবে নেওয়া হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পরদিন ১১ দলের শীর্ষ বৈঠকে সংসদে ও রাজপথে একসঙ্গে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ড দেখে আবারও জুলাই আন্দোলনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। সরকার জুলাইয়ের ঘটনাকে মুছে দিতে চায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, বিএনপি এভাবে জাতির সঙ্গে বেঈমানি করছে। জুলাইকে মুছে দিতে বা থামাতে দেওয়া হবে না। গণঅভ্যুত্থান জনগণ করেছে, এটি কোনো দলের ইস্যু নয়, জনগণের ইস্যু।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষকরা সার পাচ্ছেন না। সাতটি সার কারখানার মধ্যে ছয়টি বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং বিভিন্ন কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঘোষিত কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে। ৫ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

প্রস্তুতি সভায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন, উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মাহফুজুর রহমান ও ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মো. কামাল হোসাইন এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম এবং এফডিইবির কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুস সাত্তার শাহ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া দলের প্রচার, মিডিয়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিভাগের দায়িত্বশীল, ছাত্রপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের নেতাকর্মীরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।



banner close
banner close