স্বাধীনতাবিরোধীরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রধানের বাসভবনে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, সেখানে সর্বশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার কোনো ছবি নেই। ৭ মার্চের শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে চক্রান্তমূলকভাবে কোনটি বড় আর কোনটি ছোট, তা যাচাইয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে কোনো লাভ হবে না। এই জাতি স্বাধীনতা রক্ষা করতে জানে।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পাতানো নির্বাচনের পর একটি বড় দল একই পন্থায় ক্ষমতা ধরে রেখেছিল। বর্তমানে তারা পার্শ্ববর্তী দেশকে আঁকড়ে ধরে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।
জামায়াতকে উদ্দেশ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে দলটি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। তাদের বীরত্বের কোনো ইতিহাস নেই, আছে শুধু দালালির ইতিহাস। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিদের সঙ্গে আঁতাত এবং পরবর্তীতে এরশাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে তারা দেশের ক্ষতি করেছে।
ছাত্রশিবির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দাঙ্গা-হাঙ্গামা শুরু করেছে দাবি করে রিজভী বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ১৯৭১ সালের ইতিহাসকে ছোট করে দেখানো হচ্ছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতের ছাত্র সংগঠনের দাঁড়িপাল্লা আঁকার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালকে হালকা করে দেখানো হয়েছে। এগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একাত্তরের চেতনা আমাদের বুকের মধ্যে ছিল বলেই আমাদের সন্তানেরা ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টকে তাড়িয়ে দিয়েছে।
এর আগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরে রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আরও পড়ুন:








