জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে দলীয়করণ না করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত কাঠামোর আওতায় এনে এ বিষয়ে আইন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার সকালে এনসিপির প্রতিনিধিদের নিয়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত কাঠামো দেওয়া দরকার। এখানে অন্তত ২০০ জনবল প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে ১২ থেকে ১৫ জন স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে জাদুঘরটি পরিচালিত হচ্ছে। ফলে এটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিজমের নির্মমতা ও ফ্যাসিবাদের কেন্দ্রবিন্দু ছিল গণভবন। শুধু দেশীয় ফ্যাসিবাদ নয়, শেখ হাসিনার আমলে বৈদেশিক শক্তিগুলো ফ্যাসিজম তৈরিতে যে প্রভাব রেখেছে, সেই চিত্রও জাদুঘরে থাকা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ই জাদুঘরটি খোলার উপযোগী ছিল। এরপরও বিএনপি সরকার জাদুঘরটি খুলতে পাঁচ মাস সময় নিয়েছে। বর্তমানে জাদুঘরে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরে সীমান্ত হত্যা ও ফেলানির কিছু স্মৃতিচিহ্ন ছিল, সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির ১৬ বছর ধরে নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন বাড়ানো হয়েছে। ফলে সেখানে দলীয় বক্তব্য স্থান পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জাদুঘরে যেন কোনো দলীয় বিষয়কে বিশেষভাবে তুলে ধরা না হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। জাতীয় বিষয়গুলোই এখানে গুরুত্ব পাওয়া উচিত। জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা রাখা ঢাকার বাইরের স্কুল-কলেজগুলোর কোনো নিদর্শনও এখানে রাখা হয়নি।
জুলাই স্মৃতি জাদুঘরকে আরও শৈল্পিক ও নান্দনিকভাবে উপস্থাপনের বিষয়ে সরকারকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান এনসিপির আহ্বায়ক।
আরও পড়ুন:








