চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে আর কোনো আইনি বাধা নেই। তার দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে করা আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
আদালতের আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের জানান, আপিল বিভাগের এ সিদ্ধান্তের ফলে সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি জটিলতা অবশিষ্ট নেই।
মামলার নথি অনুযায়ী, প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তা সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। পরে ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে।
এরপর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সরোয়ার আলমগীর। শুনানি শেষে হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
ওই আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন মুহাম্মদ নুরুল আমিন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করলেও সরোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেন। তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরে বিষয়টির চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।
সবশেষে বুধবার আপিল বিভাগ তার বিরুদ্ধে দায়ের করা আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিলে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পথে থাকা আইনি জটিলতার অবসান হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আপিল বিভাগের এ আদেশের ফলে সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনে আর কোনো আইনি বাধা নেই।
আরও পড়ুন:







.jpg)
