সোমবার

১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৯ আষাঢ়, ১৪৩৩

সর্বশেষ
অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো আট পরিবারকে সহায়তার আশ্বাস: জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কমিটি বন্যাকবলিত ১১ জেলার সকল স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্নীতির দায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে কারাদণ্ড 'চলতি বছরেই সব উপজেলা হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজিক্যাল ল্যাব স্থাপন করা হবে' ‘ইনকিলাব কালচারাল ট্রাস্ট’ গঠনে শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশনের চার দফা প্রস্তাব বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি; আশ্রয় কেন্দ্র থে‌কে বা‌ড়িতে ফির‌ছে মানুষ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় কোরআন শিক্ষা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি মুখোমুখি অবস্থান

‘ইনকিলাব কালচারাল ট্রাস্ট’ গঠনে শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশনের চার দফা প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৫৩

আপডেট: ১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৫

শেয়ার

‘ইনকিলাব কালচারাল ট্রাস্ট’ গঠনে শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশনের চার দফা প্রস্তাব
ছবি: সংগৃহীত

শরিফ ওসমান হাদির স্বপ্নের ‘ইনকিলাব কালচারাল ট্রাস্ট’ বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়ে ট্রাস্ট গঠনের অচলাবস্থা নিরসনে চার দফা প্রস্তাবনা দিয়েছে শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশন।

রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ফাউন্ডেশনের অ্যাডমিন অফিসার সরোয়ার হোসাইন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশপন্থি সংস্কৃতির বিকাশ এবং ভারতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন প্রতিরোধের লক্ষ্য নিয়ে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি একটি মূল ট্রাস্টের অধীনে একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছিলেন। ‘ইনকিলাব কালচারাল ট্রাস্ট’ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সব দাপ্তরিক কাজও তিনি সম্পন্ন করেছিলেন। তবে মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তা জমা দেওয়ার আগেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ট্রাস্ট গঠনের দায়িত্ব শহীদ হাদি ইনকিলাব মঞ্চের পলিটিক্যাল উইংয়ের কো-অর্ডিনেটর শরিফ ওমর হাদির ওপর অর্পণ করেছিলেন। পরবর্তীতে ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি ট্রাস্টি বোর্ডও গঠন করা হয়। এর চেয়ারম্যান হিসেবে ড. শরিফুল আলম, সদস্য সচিব হিসেবে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি এবং সদস্য হিসেবে শরিফ ওমর হাদি ও আব্দুল্লাহ আল জাবেরের নাম উল্লেখ করা হয়।

তবে শহীদ হাদির মৃত্যুর পর ট্রাস্ট ও ইনকিলাব মঞ্চকে ঘিরে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বিবৃতিতে। এতে অভিযোগ করা হয়, হাদির শাহাদাতের দুই দিন পর আব্দুল্লাহ আল জাবের, ফাতিমা তাসনিম জুমা এবং বোরহান নামের কয়েকজন ব্যক্তি শরিফ ওমর হাদিকে ইনকিলাব মঞ্চ ও সেন্টার থেকে সরিয়ে দেন এবং ট্রাস্ট পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেন। যদিও এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি বলে দাবি করেছে ফাউন্ডেশন।

অচলাবস্থা নিরসনে চার দফা প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে যারা ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার পরিচালনা করছেন, তারাই তা পরিচালনা করবেন। তবে আগামী তিন মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ট্রাস্ট গঠন করে সেন্টারটিকে ট্রাস্টের অধীনে আনতে হবে।

এছাড়া শহীদ হাদি মনোনীত ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের বহাল রেখে নতুন করে আরও ১০ সদস্য যুক্ত করে ২১ সদস্যের ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন সদস্যদের মধ্যে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এনসিপি, খেলাফত মজলিস বা কওমি অঙ্গন এবং এবি পার্টির প্রতিনিধি, হাদি হত্যা মামলার আইনজীবী এবং শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়েছে, ট্রাস্টের অধীনে একটি বৃহৎ তহবিল গঠন করে শহীদ হাদি হত্যা মামলার আইনি লড়াই পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে সদস্য সচিবের শূন্য পদে শহীদ হাদীর স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা অথবা তার মনোনীত কাউকে দায়িত্ব দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে শহীদ ওসমান হাদীর বিপ্লবী চেতনা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।



banner close
banner close