দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও সীমান্ত আগ্রাসনের প্রতিবাদে আগামী ১২ ও ১৫ জুন দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট।
বুধবার রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জোটের শীর্ষ নেতারা এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। নেতারা জানান, সংসদে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি রাজপথেও জোটের তৃতীয় ধাপের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১২ জুন দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে একযোগে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৫ জুন চট্টগ্রামে সমাবেশ এবং রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে জোট।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকার ভিনদেশের স্বার্থ রক্ষায় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। সীমান্তে পুশইন ও হত্যাকাণ্ড যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন। সরকারের ১০০ দিনের শাসনে জনগণের অধিকার রক্ষার কোনো প্রতিফলন নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকারের একের পর এক গণবিরোধী সিদ্ধান্তে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সমালোচনা করে তিনি জানান, এই পরিস্থিতি ও সীমান্ত আগ্রাসনের প্রতিবাদেই জোটের পক্ষ থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্তের শূন্যরেখায় পুশইনের শিকার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। সরকারকে নতজানু নীতি পরিহার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমেই জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার করা হবে।
আরও পড়ুন:








