স্বাস্থ্যখাতে যোগ্য ও অভিজ্ঞ ডাক্তারদের অবমূল্যায়ন করে দুর্নীতিবাজ ও অযোগ্যদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে, যা এ সরকারের স্পষ্টত ফ্যাসিবাদের নীতি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন।
রবিবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াত আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন ৷
সেলিম উদ্দিন বলেন, আপনার মূল দায়িত্ব বাদ দিয়ে স্বাস্থ্য খাতে রাজনীতি করবেন, তা হতে দেয়া যাবে না। যোগ্য ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের অবমূল্যায়ন করে দুর্নীতিবাজ ও অযোগ্যদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে, যা স্পষ্টত ফ্যাসিবাদের নীতি। এই ফ্যাসিবাদী নীতি নিয়ে আপনারা স্বাস্থ্য খাত চালাতে পারবেন না। শহীদদের রক্ত আর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশে কোনো ভাবেই ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসনের অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না।
তিনি বর্তমান প্রশাসনকে হুঁশিয়ার করে বলেন, যারা অতীতে জনগণের ওপর জুলুম করেছে এবং স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে, তাদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশে জনগণ একটি বৈষম্যহীন ও স্বচ্ছ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রত্যাশা করে।
মানববন্ধনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহানগর উত্তর জামায়াত মেডিকেল বিভাগের থানা আমির ডা. এসএম খালিদুজ্জামান বলেন, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে মোট বাজেটের প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। অথচ আমাদের দেশে এই সংবেদনশীল খাতে বরাদ্দ মাত্র দুই থেকে তিন শতাংশ, যা জিডিপির তুলনায় এক শতাংশেরও নিচে। একটি সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী জাতি গঠন করতে হলে সবার আগে মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা প্রয়োজন। দেশে চলমান অস্থিরতা ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্তি পেতে স্বাস্থ্য খাতকে সবার আগে সঠিক ও দুর্নীতিমুক্ত পথে ফিরিয়ে আনা জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মানববন্ধনে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন:








