সোমবার

১ জুন, ২০২৬ ১৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

হাসনাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, লাইভে হিসাব উপস্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৬

শেয়ার

হাসনাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, লাইভে হিসাব উপস্থাপন
ছবি সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার বিরুদ্ধে ওঠা ১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর রোববার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি সংশ্লিষ্ট অর্থের খাতভিত্তিক হিসাব তুলে ধরেন।

দীর্ঘ প্রায় ৪৩ মিনিটের লাইভে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আলোচিত অর্থ স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ, যা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজস্ব বরাদ্দ ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দের মধ্যে পার্থক্য না বুঝেই জেলা পরিষদের প্রশাসক মন্তব্য করেছেন। এতে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যেন তিনি ব্যক্তিগতভাবে অর্থ গ্রহণ করেছেন।

হাসনাত আবদুল্লাহর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তিনি নির্বাচিত হওয়ার আগেই দেবীদ্বার এলাকায় এডিপি সাধারণ, এডিপি বিশেষ এবং রাজস্ব খাতসহ মোট ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব অর্থ ১৪৮টি প্রকল্পে বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকল্পগুলোর কোনোটি এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে সম্পন্ন হয়নি এবং সব তথ্য অনলাইনে উন্মুক্ত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক দাবি করেছেন যে তিনি ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন। এ বক্তব্যের পর গত দুই দিন ধরে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রকল্পভিত্তিক বরাদ্দের তথ্য গোপন করা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট সব তথ্য জেলা পরিষদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, তার এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ ও ব্যয়ের তথ্য তিনি নিয়মিতভাবে জনসমক্ষে তুলে ধরেন। পাশাপাশি তার পরিচালিত জবাবদিহিতা নামের প্ল্যাটফর্মেও এসব তথ্য হালনাগাদ করা হয়।

তিনি বলেন, প্রকল্পের সরকারি বরাদ্দকে ব্যক্তিগত অর্থ গ্রহণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরাদ্দের উৎস, খাত ও ব্যয়ের তথ্য অনলাইনে অনুসন্ধান করলেই যাচাই করা সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।



banner close
banner close