বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় সরকারি অনুমোদিত বালু পয়েন্ট থেকে প্রায় ৪ লাখ টাকার বালু চুরির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য।
অভিযোগকারী উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের রাজরামপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. মাসুদুজ্জামান জানান, তিনি বাঙ্গালী-করতোয়া-ফুলজোর-হুরাসাগর নদী সিস্টেম ড্রেজিং ও পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় শেইলধুকুড়ী এলাকায় সরকারি নিলামের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের কার্যাদেশ পান। এ জন্য তিনি সরকারি কোষাগারে ভ্যাট ও আয়করসহ ৬ লাখ ২৪ হাজার ৯২৬ টাকা জমা দেন।
অভিযোগে বলা হয়, বালু পয়েন্টটি বর্তমানে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও গত ২২ মে সকাল থেকে ২৪ মে সন্ধ্যার মধ্যে অভিযুক্তরা গোপনে স্কেভেটর দিয়ে বালু উত্তোলন করে নিয়ে যান। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ৪ লাখ টাকার বালু চুরির বিষয়টি জানতে পারেন তিনি।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন আমরুল ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক খাজা আহমেদ ও স্থানীয় ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম। এছাড়া রুবেলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগকারী মাসুদুজ্জামান দাবি করেন, তার বালু পয়েন্ট থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমজাদ হোসেন বলেন, “সড়কে কিছু বালু দেওয়া হয়েছে। এটা বড় কোনো বিষয় না। বালুমহালের ইজারাদারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।”
অন্যদিকে অভিযুক্ত খাজা আহমেদ ও ইউপি সদস্য রবিউল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ওসি আশিক ইকবাল বলেন, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আরও পড়ুন:








