স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের অভিযোগের জবাবে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। তিনি প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ফাইলটি সুনির্দিষ্টভাবে জনসমক্ষে উপস্থাপন করতে।
শনিবার সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় আসিফ মাহমুদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তিনি সচিবের স্বাক্ষর ছাড়াই বিধিবহির্ভূতভাবে কোনো প্রকল্পের ফাইল অনুমোদন করেছেন বলে প্রতিমন্ত্রী যে দাবি করেছেন, তা প্রশাসনিক বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় সচিব বিদেশ সফরে বা অনুপস্থিত থাকলে রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র অতিরিক্ত সচিব ফাইলে স্বাক্ষর করেন। তা ছাড়া সচিবের স্বাক্ষর বা সচিবের টেবিল অতিক্রম না করে কোনো ফাইল উপদেষ্টা বা মন্ত্রীর টেবিলে পৌঁছানো প্রশাসনিক কাঠামোতে সম্ভব নয়।
আসিফ মাহমুদ আরও জানান, জনগুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হলে মন্ত্রী বা উপদেষ্টা প্রক্রিয়ার মধ্যবর্তী কোনো ধাপ ওভাররাইড করতে পারেন। তাঁর মতে, এটি প্রচলিত আইনি কাঠামোর মধ্যেই পড়ে এবং এতে কোনো অবৈধতা নেই। চূড়ান্ত অনুমোদনের কর্তৃত্ব মন্ত্রী বা উপদেষ্টার হাতেই থাকে, বাকি স্তরগুলো কেবল প্রক্রিয়াগত অংশ।
তবে আসিফ মাহমুদ স্বীকার করেন, বিষয়টি যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে সচিবকে অগোচরে রেখে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা তৈরি হচ্ছে। এই ধোঁয়াশা দূর করতে তিনি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে সুনির্দিষ্টভাবে ফাইলটি চিহ্নিত করে তা প্রকাশ্যে আনার আহ্বান জানান। আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট যেকোনো ফাইল নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি জবাব দিতে প্রস্তুত এবং পরের দিনের মধ্যেই বিষয়টি জনসমক্ষে স্পষ্ট করা হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত ফাইল বা প্রকল্পের বিস্তারিত পরিচয় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
আরও পড়ুন:








