মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জোড়পুকুরিয়া গ্রামে বিএনপির ১৮ নেতাকর্মীকে হত্যার হুমকি দিয়ে দুটি চিরকুট ও হাতবোমা সদৃশ দুটি বস্তু রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকায় বাবলু মিয়ার বাড়ির সামনে তিন রাস্তার মোড়ে লাল টেপে মোড়ানো বস্তু দুটি ও চিরকুট পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সেগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকালে এলাকাবাসী তিন রাস্তার মোড়ে লাল টেপে মোড়ানো দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু ও দুটি চিরকুট দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাস, তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তু দুটি ও চিরকুট উদ্ধার করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে উদ্ধার করা বস্তু দুটি পানিভর্তি বালতিতে রাখা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চিরকুটে বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেখানে রাজনৈতিক স্লোগান ও আপত্তিকর ভাষাও ব্যবহার করা হয়েছে। চিরকুটে কয়েকজন নেতাকর্মীকে হত্যার হুমকি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী বাবলু মিয়া বলেন, এর আগেও কয়েকবার তাকে চিরকুটের মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি ও তার পরিবার বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
সাহারবাটি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোছা. আসমা তারা বলেন, জোড়পুকুরিয়া গ্রামের বাবলু মিয়ার দোকানের সামনে কে বা কারা ককটেল সদৃশ বস্তু ও চিরকুট রেখে যায়। পরে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে সেগুলো উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাস বলেন, লাল টেপে মোড়ানো দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু ও দুটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন:








