ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এক কোটি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত এই আদেশ দেন এবং পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ২২ জুন সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এই মামলায় বিচারের মুখোমুখি অপর দুই আসামি হলেন ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেন। আদালতে কেবল মোশারফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। তোফায়েল আহমেদ ও মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০০২ সালে দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট এক কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন। তদন্ত শেষে তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি পুনরায় সক্রিয় করে নিম্ন আদালতে প্রেরণ করেন, যার ধারাবাহিকতায় আজ বিচার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
আরও পড়ুন:








