মঙ্গলবার

৫ মে, ২০২৬ ২২ বৈশাখ, ১৪৩৩

গণভোট বাস্তবায়নে আন্দোলন চলবে: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৫ মে, ২০২৬ ২২:৪১

শেয়ার

গণভোট বাস্তবায়নে আন্দোলন চলবে: জামায়াত আমির
ছবি সংগৃহীত

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংসদে এবং সংসদের বাইরে সব ধরনের আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার জাপানের নাগোয়া শহরের সিবুকাওয়া ওয়েলফেয়ার সেন্টারে বাংলাদেশি কমিউনিটির আয়োজনে এক নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে পক্ষে রায় দিয়েছেন এবং সেই রায় বাস্তবায়ন না করা মানে প্রতিটি নাগরিককে অপমান করা। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, পৃথিবীর কোনো দেশে গণভোট ব্যর্থ হয়নি, বাংলাদেশেও হবে না।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করে জামায়াত আমির বলেন, গত জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রবাসীরা রেমিট্যান্স শাটডাউনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতেও তাঁরা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।

প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানের বিষয়ে তিনি জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতে কারাবন্দী ৩৯ জন প্রবাসীর মুক্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে এবং প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান চাঁদাবাজি ও বাজার সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি সরকারকে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান জানান এবং সব ধরনের চাঁদাবাজির শেকড় উপড়ে ফেলার অঙ্গীকার করেন।

জাপানের উন্নয়ন মডেলের উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্বের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে একযোগে কাজ করে নৈতিক, শিক্ষিত ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, একদিন বাংলাদেশ এমন একটি রাষ্ট্রে পরিণত হবে যেখানে গুম, খুন, দারিদ্র্য ও দুর্নীতির অস্তিত্ব থাকবে না।

ইসলামিক মিশন জাপান, নাগোয়া শাখার তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ড. মাজেদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে নাগোয়াসহ বৃহত্তর আইচি প্রিফেকচারে বসবাসরত কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।



banner close
banner close