সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সোহেল নামে এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই মামলায় এক নারীসহ ২৩ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী নুপুর খাতুনের অভিযোগের ভিত্তিতে এ মামলা দায়ের হয়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার সোহেল শহরের দত্তবাড়ি মহল্লার হারুনর রশিদ হারানের ছেলে। মামলার বাদী মোছা. নুপুর খাতুন অভিযোগ করেন, তার স্বামী শাহজাহান একজন মনোহারী ব্যবসায়ী। গত ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় স্বামীর ব্যবসায়িক পার্টনার নাজমুল তাদের বাসায় গেলে পূর্ব শত্রুতার জেরে একদল ব্যক্তি সেখানে অনধিকার প্রবেশ করে।
অভিযোগে বলা হয়, ওই সময় তারা নাজমুলের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে এবং নুপুর খাতুনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়ায়। প্রতিবাদ করলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং নাজমুলকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে একটি বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করা হয়। পরে তার কাছে ৭০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
এছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে মোবাইল ফোনে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হয়। গত ২ মে সন্ধ্যায় আবারও বাড়ির সামনে এসে চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাড়িঘর ভাঙচুর ও উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হয়।
ঘটনার পর রবিবার (৩ মে) ভুক্তভোগী নুপুর খাতুন ১১ জনের নাম উল্লেখসহ মোট ২৩ জনকে আসামি করে সিরাজগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামিদের মধ্যে সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা মো. হোসেন আলীসহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু বক্কার মাতব্বর বলেন, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং সোহেল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুনায়েদ হোসেন সবুজ বলেন, কোনো নেতা যদি চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকে, তদন্তের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:








