নীলফামারীতে গণভোটের রায় ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মে) বিকেলে নীলফামারী শহরে বড় মসজিদ থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরঙ্গী মোড় হয়ে ডিসি অফিস মোড়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। এতে ১১ দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমীর ও নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম। বক্তব্য দেন জেলা জামায়াত, খেলাফত মজলিশ এবং এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের স্থানীয় নেতারা।
সমাবেশে বক্তারা গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান এবং এ বিষয়ে সরকারের অবস্থানের সমালোচনা করেন। তারা অভিযোগ করেন, জনগণের মতামত উপেক্ষা করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তারা।
খেলাফত মজলিশের জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুস সালাম বলেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে গণআন্দোলন আরও তীব্র হবে এবং জনগণ মাঠে নামবে বলে হুঁশিয়ারি দেন। তিনি সাম্প্রতিক একটি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।
এনসিপির জেলা সদস্য সচিব ডা. কামরুল ইসলাম দর্পণ নির্বাচন ও জনমতের অনুপাত নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, জনগণের বৃহৎ অংশ গণভোটের পক্ষে রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তাই সরকারের উচিত এ বিষয়ে জনমতের প্রতিফলন ঘটানো।
জেলা আমীর অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার তার বক্তব্যে সংবিধান সংস্কার, সংসদ সদস্যদের শপথ এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় আর্থিক খাতে অনিয়ম ও প্রশাসনিক সংকট তৈরি হয়েছে এবং জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানান।
সমাবেশে বক্তারা জানান, সংসদে যথাযথ সুযোগ না পেয়ে তারা মাঠের কর্মসূচিতে নেমেছেন। তারা দাবি করেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ, মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক সংস্কারের প্রশ্নে সরকারকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।
আরও পড়ুন:








