বুধবার

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

বগুড়া-৭ আসনে এমপির দুই প্রতিনিধিকে মিটিং থেকে বের করে দিলেন বিএনপি নেতারা

বিশেষ প্রতিনিধি, বগুড়া:

প্রকাশিত: ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৪

আপডেট: ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৫

শেয়ার

বগুড়া-৭ আসনে এমপির দুই প্রতিনিধিকে মিটিং থেকে বের করে দিলেন বিএনপি নেতারা
ছবি বাংলা এডিশন

বয়স্ক-বিধবা ভাতার কার্ড বন্টন নিয়ে বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোর্শেদ মিলটনের দুই প্রতিনিধিকে ইউনিয়ন পরিষদের মিটিং চলাকালীন বের করে দিয়েছেন বিএনপির নেতারা। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়ন পরিষদের ঘটনাটি ঘটে।

বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের আমারুল ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি আবু সাহিন সানি বলেন, সংসদ সদস্য মোরশেদ মিলটন মহোদয় আমরুল ইউনিয়নের প্রতিনিধি হিসেবে আমাকে এবং মহিলা দল নেত্রী নিলুফার ইয়াসমিনকে দায়িত্ব দেন। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমাদের নিয়ে মিটিংয়ে বসেন। এ সময় আমরুল ইউনিয়নের বিএনপির আহবায়ক রফিকুল ইসলাম এবং সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কামরুজ্জামান রাজা দলবল নিয়ে আমাদেরকে মিটিং থেকে বের করে দেন। এবং চেয়ারম্যান সাহেবকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

তিনি আরো বলেন, এমপি মহোদয় আমাদের প্রতিনিধি করায় ক্ষোভের বশীভূত হয়ে আমাদের লাঞ্ছিত করেন। বিষয়টি এমপি মহোদয়কে জানানো হয়েছে।

আমরুল ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন, গেল নির্বাচনে এমপির ভোট থেকে শুরু করে সকল দায়িত্ব আমরা ইউনিয়ন বিএনপি পালন করেছি। প্রত্যেক ইউনিয়নের দায়িত্ব ইউনিয়নের সভাপতি বা সেক্রেটারিরাই পেয়েছেন। কিন্তু এই ইউনিয়নে থানা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাহিন সানি এমপির প্রতিনিধির দায়িত্ব পেয়েছেন। এতেও আপত্তি নেই। কিন্তু ঘটনার দিন বয়স্ক- বিধবা ভাতার কার্ড ভাগ বাটোয়ারা করতে পরিষদে গেছেন সানিসহ তার কিছু লোকজন। আর ভাগ বাটোড়ার বিষয়ে দলীয় আলোচনা হবে দলীয় কক্ষে। তা না করে ইউনিয়ন পরিষদে কেন? বিষয়টি আমাকে ওয়ার্ড বিএনপি'র নেতাকর্মীরা বললে আমি ইউনিয়ন পরিষদে হাজির হয়ে বিষয়টির প্রতিবাদ করি। তারপর ঘটনাস্থল থেকে চলে আসি। পরে শুনেছি ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে নাকি হট্টগোল হয়েছে। তবে মারামারি কিংবা অবরুদ্ধের কোন ঘটনা ঘটেনি।

আমরুল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সেলিম উদ্দিন বলেন, মূলত বিএনপি-বিএনপির মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকায় রোষানলের শিকার হয়েছি আমি। ঘটনার সময় তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় কে জানানো হয়ছে। পরে পুলিশের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত বগুড়ার শাজাহানপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, হট্টগোলের খবর শোনার পরপরই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করা হয়। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।



banner close
banner close