বৃহস্পতিবার

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২ ভাদ্র, ১৪৩৩

বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করা উচিত: সামান্থা শারমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩০

শেয়ার

বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করা উচিত: সামান্থা শারমিন
ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের পর বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে ধারাবাহিক সমালোচনা করে আসছেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্থা শারমিন। এবার তিনি বলেছেন, সরকার গঠনের পর সর্বোচ্চ ছয় মাসের মধ্যেই সব বিতর্কিত কর্মকাণ্ড শেষ করা উচিত।

হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সামান্থা বলেন, দেশের সংবিধান, আইন এবং বিদ্যমান ক্ষমতার কাঠামো বিবেচনায় যে কোনো সরকারের উচিত দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো নিষ্পত্তি করা।

তিনি বলেন, “ছয় মাস বা এক বছরের পর সরকারের কার্যকারিতা কমতে থাকে। তখন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া আরও কঠিন হয়ে যায়।”

সামান্থা শারমিন আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর শাসনামলের মতো পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করলে তা উল্টো সরকারের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। “অতীতের ভুলগুলো অনুকরণ না করে সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ,” যোগ করেন তিনি।

সরকার ও বিরোধী উভয় পক্ষের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংসদে গঠনমূলক বিতর্কের পরিবর্তে অহংকারই প্রধান আচরণে পরিণত হয়েছে। বিরোধী দল কার্যকরভাবে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে পারছে না, আবার সরকারও জবাবদিহির জায়গা এড়িয়ে যাচ্ছে।

অধ্যাদেশ বাতিল প্রসঙ্গে সামান্থা বলেন, “গুম ও মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ বাতিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা না দেওয়া উদ্বেগজনক। এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রশ্নের মুখে পড়ছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলো আরও অনিশ্চয়তায় পড়ছে।”

তিনি সতর্ক করে বলেন, এসব সিদ্ধান্ত শুধু আইনি জটিলতা নয়, বরং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে হতাশা তৈরি করছে।

শেষে তিনি বলেন, “যেসব পরিবার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত, তাদের আস্থা অর্জন করাই সরকারের বড় শক্তি হতে পারত। কিন্তু সেই সুযোগ নষ্ট হচ্ছে।”