মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশের মানুষের বহু প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা, পাশাপাশি ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসনমুক্ত রাষ্ট্র গঠন।
তিনি বলেন, লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার পরও প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ব্যবধান রয়ে গেছে।
বিরোধীদলীয় নেতা দাবি করেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে এবং পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হয়। এ প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী আচরণে কেউ ফিরে যাবে না বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, জনগণ ভয়ভীতিমুক্তভাবে চলাফেরা ও মতপ্রকাশের অধিকার চায়। নাগরিকদের জানমাল ও সম্মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ঘুষ-দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।
ডা. শফিকুর রহমান ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা রয়েছে বলে অভিযোগ করে বলেন, এ সনদ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের বিলম্ব জনগণ মেনে নেবে না এবং দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণআন্দোলনে নিহতদের স্মরণ করেন, আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং শহীদ পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
আরও পড়ুন:








