মঙ্গলবার

১০ মার্চ, ২০২৬ ২৬ ফাল্গুন, ১৪৩২

সর্বশেষ
জামিনের জন্য এক কোটি টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভ্যন্তরীণ তদন্তের ঘোষণা ভিজিএফের চাল বণ্টন ও প্যানেল চেয়ারম্যান বিরোধে গাংনীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৭ ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ে না দেয়ায় ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা সৈয়দপুরে ব্যাংক জালিয়াতি, ৪৩ কোটি টাকা নিয়ে পালালেন কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গায় বড় ভাইয়ের পর মারা গেলেন বিএনপির সাথে সংঘর্ষে আহত জামায়াতের ইউনিয়ন আমির ধাপে ধাপে সব পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: মির্জা ফখরুল ১০ দিনে ইরানের ৫ হাজারের বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে ইরানি সংবাদমাধ্যমের জল্পনা

আত্মপক্ষে মৌখিক সাক্ষ্য দিতে পারেননি ইনু, যুক্তিতর্ক আগামী দুই এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪৪

শেয়ার

আত্মপক্ষে মৌখিক সাক্ষ্য দিতে পারেননি ইনু, যুক্তিতর্ক আগামী দুই এপ্রিল
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আত্মপক্ষে মৌখিক সাক্ষ্য দিতে পারেননি জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। পরে এ মামলায় যুক্তিতর্কের জন্য আগামী ২ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের অপর সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ।

এদিন ট্রাইব্যুনালে সাফাই সাক্ষ্য দেয়ার কথা ছিল হাসানুল হক ইনুর। তবে কোনো ধরনের ব্যাখ্যা দেননি তিনি। পরে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তিতর্কের জন্য ২ এপ্রিল দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। সাধারণত আইনানুযায়ী প্রথমত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন। কিন্তু এ মামলায় আগে করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

এ প্রসঙ্গে ইনুর আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ বলেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে চাননি হাসানুল হক ইনু। এরপরও তাকে জোর করে আনা হয়েছে। কিন্তু আনলেও তার স্বপক্ষে ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ দেননি ট্রাইব্যুনাল। আমরা ৬৪ পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করতে চেয়েছি। সেটিও নেওয়া হয়নি। অর্থাৎ এখানে আসামির আইনি অধিকার খর্ব করা হয়েছে বলে দাবি এই আইনজীবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যরা।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনে নামেন ছাত্র-জনতা। হাসানুল হকের নির্দেশে তাদের ওপর গুলি চালায় পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনী। তাদের গুলিতে শহীদ হন শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ। আহত হন বহু নিরীহ মানুষ। এছাড়া উসকানি-প্ররোচনাসহ ইনুর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আটটি অভিযোগ আনা হয়।



আরও পড়ুন:

banner close
banner close