নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে ফলাফল স্থগিত রেখে ভোটের ব্যালট পুনঃগণনার দাবি করেছেন ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ এনায়েত উল্ল্যাহ।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন অভিযোগ তোলেন।
ব্যাপক কারচুর, অনিয়ম জালিয়াতি হয়েছে উল্লেখ করে হাজী এনায়েত বলেন, ঢাকা-৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর বান্ডিলে ১০০টি ব্যালট পেপার না থাকা স্বত্তেও তা দেখানো হয়েছে। আমাদের দাঁড়িপাল্লার পোলিং এজেন্টদেরকে থাকতে দেয় নাই। তাদের বের করে দিয়ে রেজাল্ট শিট তৈরি করা হয়েছে। দাঁড়িপাল্লার পোলিং এজেন্টদের আপত্তি স্বত্তেও রেজাল্ট শিটের কপি সরবরাহ করা হয়নি। ভোট গণনার মাঝামাঝি ম্যানিপুলেট করা হয়েছে, গণনাকে অহেতুক দেরি করা হয়েছে। দাঁড়িপাল্লার পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর নেয়া হয়নি। এসব অনিয়ম তুলে ধরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গতকালই লিখিত আপত্তি জানানো হয়েছে। ভোটের সুষ্ঠু গণনা হলে সমস্ত অনিয়মের সত্যতা বের হয়ে আসবে। সঠিক ভোট সংখ্যা জানা যাবে। তাই অবিলম্বে ভোটের ফলাফল স্থগিত রেখে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানান তিনি। কারচুপির জন্য আদালতে মামলা করবেন বলেও জানান জামায়াতের এই প্রার্থী।
প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হয়েছে কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রশাসন সঠিকভাবে সহযোগিতা করতে পারেন নাই। উনারা অনেক ক্ষেত্রে ভয়েও চলে গেছে। আমাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে নাই। পরবর্তী জেনেছি, তারা ভয়ে আর এদিকে আসার সাহস পায়নি।
নিজের এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫০ শতাংশ বের হয়ে গেছে ভোট করার আগে এবং ভোট চলাকালীন সময় প্রায় ৪০-৫০ জন আপনার এজেন্ট আমাদের ছিল না। আমি ঘুরে ঘুরে দেখছি তাদেরকে বের করে দেয়া হইছে। ফিরে যাওয়া মানে এজেন্টবিহীন ভোট হয়েছে।
এনায়েত অভিযোগ করে বলেন, ভোট ইঞ্জিনিয়ার করা হয়েছে। গণনার সময় আমাদের রেজাল্ট প্রথম দিকের রেজাল্ট গুলো সুন্দরভাবে আসতেছিল। হঠাৎ করে দেখা গেল এক দুই ঘন্টা রেজাল্ট সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেল। সেই রেজাল্ট এখনো পুনরায় আমাদেরকে জানানো হয়নি। আজকে হঠাৎ করে দেখলাম, রেজাল্ট তৈরি করে উনারা আমাদের বিপক্ষকে ঘোষণা করে দিছেন।
তিনি বলেন, সন্দেহ থেকেই আমরা গতকাল রাতেই রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। আমরা আশা করি ভোটের ফলাফল স্থগিত রেখে পুনঃগণনার ব্যবস্থা করবেন।
আরও পড়ুন:








