জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আল্লাহর ওপর আস্থা রেখে বলতে পারি, বাংলাদেশের মানুষ একটা পরিবর্তন চায়। আগামী ১৩ তারিখ থেকে বাংলাদেশের মানুষ একটা পরিবর্তন দেখতে চাচ্ছে।
শনিবার সকাল ১১টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের জনসভায় এসব কথা বলেন ১১দলীয় ঐক্যজোট প্রধান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যুবকরা তো আমাদের কাছে বেকার ভাতার দাবি করছে না। তাদের হাতকে দেশ গড়ার মজবুত কারিগর হিসেবে গড়ে তুলব। হাতে হাতে সম্মানের কাজ তুলে দেব।
তিনি বলেন, যুবকদের কাজের উপযোগী করে দক্ষ জনবল না করে কেন বেকার ভাতার গল্প শোনাব? যুবকরা তো আমাদের কাছে বেকার ভাতার দাবি করছে না। এই যুবক-যুবতীদের হাতকে দেশ গড়ার মজবুত কারিগর হিসেবে গড়ে তুলব। হাতে হাতে সম্মানের কাজ তুলে দেব, তারা সেদিন বলবে আমি বাংলাদেশ। আমরা সেই গর্বিত বাংলাদেশ গড়তে চাই, এই দেশ তাদের হাতেই তুলে দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, ১২ তারিখের পর ১৩ তারিখ যে পরিবর্তন আসবে তা আসবে যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করে। আর কোনো আধিপত্য মানব না, ফ্যাসিবাদ মানব না, আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার দেখতে চাই না।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থী ও জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক,ডাকসুর ভিপি সাদেক কায়েম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর এড. মুহাম্মদ শাহজাহান, কুমিল্লা-১০ আসনের ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ ইয়াছিন আরাফাত, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণের সেক্রেটারী আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির উপজেলা সেক্রেটারী অনিল চন্দনাথ, উপজেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোতাসির বীন সাকির, জাতীয় নাগরিক শক্তির যুগ্ম আবু সুফিয়ান, শহীদ সাহাবুদ্দিনের পিতা মাওলানা জয়নাল আবেদীন, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মাহবুবুর রহমান, উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা শাহজালাল, চৌদ্দগ্রাম নজমিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ একেএম সামছুদ্দিন,চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন, সাবেক উপজেলা আমীর বীরমুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান, সাবেক উপজেলা সেক্রেটারী শাহ মিজানুর রহমানসহ অন্যানয নেতৃবৃন্দ।
জনসভাকে কেন্দ্র করে এদিন সকাল থেকেই মাঠ ও আশপাশের এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাঠে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপক জমায়েত দেখা গেছে।
আরও পড়ুন:








