ফ্যাসিস্ট আ. লীগের মতোই বিএনপি হত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।
তিনি বলেন, ‘বিএনপির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জবাব জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে দেবে। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগকে যেভাবে বিদায় নিতে হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি এ দেশ থেকে সন্ত্রাসীদের সেভাবেই বিদায় নিতে হবে।’
দেশব্যাপী নারীর প্রতি সহিংসতা ও বিএনপি কর্মীদের বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়ে বিএনপি প্রমাণ করেছে যে তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের নিরাপত্তা দিতে না পারা উদ্বেগের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের নীরবতায় শেরপুর-৩ আসনের ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে তারা। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করতে হবে। তাদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ‘বিএনপি রাজনীতিতে একা হয়ে দিশেহারা। বর্তমানে রাজনীতির মাঠে দুটি পক্ষ; একদিকে ১১ দলীয় জোট, অপরদিকে একা বিএনপি। জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের খুন করে এই সংগঠনকে দমিয়ে রাখা যাবে না। ৫ আগস্ট-পরবর্তী প্রতিটি লাশের হিসাব জাতি ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে বুঝে নেবে।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসেন হেলাল বলেন, ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে হামলার জবাব প্রশাসনকে দিতে হবে। নির্বাচনী আইনে প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের বিধান থাকলেও কমিশন এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সমাবেশ শেষে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে বিজয়নগর ও কাকরাইল হয়ে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন:








