শুক্রবার

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৪ মাঘ, ১৪৩২

ইনসাফের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ১২ ফেব্রুয়ারি জামায়েতের ভূমিধস বিজয় হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৫

শেয়ার

ইনসাফের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ১২ ফেব্রুয়ারি জামায়েতের ভূমিধস বিজয় হবে
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিধস বিজয় হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১৪ আসনের ১০-দলীয় জোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন কালো টাকা ও পেশিশক্তিমুক্ত একটি মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা চায়। সেই পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্ব বাছাই করবেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বরের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় নিজের নির্বাচনী প্রচারণার ক্যাম্প উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ক্যাম্প উদ্বোধন শেষে তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেন এবং ভোটারদের কাছে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ব্যারিস্টার আরমান বলেন, ‘গতকাল রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। আমরা বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনী প্রচারণার ক্যাম্প চালু করছি এবং জনগণের কাছে যাচ্ছি। মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আমরা আশা করছি, ইনশাআল্লাহ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভূমিধস বিজয় হবে।’

বক্তব্যে তিনি সততা ও নৈতিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, মানুষ এমন জনপ্রতিনিধি চায় যাকে টাকা দিয়ে কেনা সম্ভব নয়। জামায়াতে ইসলামী সেই ওয়াদা করছে যে কোনো প্রলোভন বা বিপদেও তাদের আদর্শ বিচ্যুত করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আদর্শ হচ্ছে আমরা আল্লাহকে ভয় করি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই আমাদের সব কার্যক্রম। আল্লাহ ছাড়া আমরা কাউকে ভয় করি না।’

বিগত গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ব্যারিস্টার আরমান বলেন, ‘মনে রাখতে হবে, ফ্যাসিবাদের কিছু মাথা পালিয়ে গেছে, কিন্তু রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনো তাদের কিছু অনুগত মানুষ রয়ে গেছে। ছাত্র-জনতাকে অনুরোধ করব, যেমনিভাবে ৫ আগস্ট আপনারা বুক পেতে দিয়েছিলেন, সেই চেতনা ধারণ করেই ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দেবেন।’

একটি জবাবদিহিমূলক ও সৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে ১০-দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয় সুনিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের নির্বাচনী মাঠে থাকার নির্দেশ দেন এই প্রার্থী।



banner close
banner close