প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের পরিণতি কী হতে পারে তা দেশের মানুষ ৫ আগস্ট দেখেছে জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনার মাধ্যমে কমিয়ে আনতে হবে। মতপার্থক্য যেন মতবিরোধের পর্যায়ে না যায়।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
জনগণের ভোটে আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে গঠনমূলক সমালোচনার প্রত্যাশা রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখছে, সকল আশা হয়তো পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে, সবাই যদি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করে; তাহলে জাতিকে সঠিক পথে নেয়া সম্ভব।
তার কথায় উঠে আসে রাজধানীর পানির সমস্যা, তরুণদের কর্মসংস্থান, সড়ক দুর্ঘটনা প্রশমনের পাশাপাশি কৃষকদের সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের বার্তা।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে আইটি পার্কের নামে বড় বড় বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছে, যা বর্তমানে অনৈতিক কাজ বা কমিউনিটি সেন্টার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। আমরা সেগুলোকে নিয়ে কিছুই ভিন্নভাবে পরিকল্পনা করেছি।
এসময় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশ গণতন্ত্রের দিকে যাবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারেক রহমান। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ২২ জানুয়ারি থেকে দলের নানামুখী পরিকল্পনা নিয়ে বিএনপি জনগণের কাছে যাবে— এমন আগাম বার্তাও দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদসহ দলের সিনিয়র নেতারা।
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ছিলেন— শফিক রেহমান, আবদুল হাই সিকদার, নুরুল কবির, মতিউর রহমান চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান, আযম মীর শাহিদুল আহসান, জহিরুল আলম, সাংবাদিক নেতা এম এ আজিজ, কাদের গণি চৌধুরী, হাসান হাফিজ, শহিদুল ইসলাম, খুরশীদ আলমসহ আরও অনেকে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে দেড় যুগের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর সপরিবারে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এরপর ৩০ ডিসেম্বর তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা যান। এর ১০ দিনের মাথায় শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারেক রহমানকে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। এর পরদিন প্রথম কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন তিনি।
আরও পড়ুন:








