আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম দফায় প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন তালিকায় ঘোষিত ১২৫ জন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেন। এতে ১৪ জন নারী প্রার্থীও স্থান পেয়েছেন। নারী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ডা. তাসনিম জারা, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, দিলশানা পারুলসহ আরও পরিচিত মুখ। তবে সামান্তা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম এই তালিকায় নেই।
নারী প্রার্থীরা যেসব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন
নওগাঁ-৫ থেকে মনিরা শারমিন, সিরাজগঞ্জ-৩ থেকে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ থেকে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), ঝালকাঠি-১ থেকে ডা. মাহমুদা আলম মিতু নির্বাচন করবেন।
এ ছাড়া ময়মনসিংহ-১১ এ তানহা শান্তা, ঢাকা-৯ এ ডা. তাসনিম জারা, ঢাকা-১২ এ নাহিদা সারওয়ার নিভা, ঢাকা-১৭ এ ডা. তাজনূভা জাবীন, ফরিদপুর-৩ এ সৈয়দা নীলিমা দোলা, চাঁদপুর-২ এ ইসরাত জাহান বিন্দু, নোয়াখালী-৫ এ অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, চট্টগ্রাম-১০ এ সাগুফতা বুশরা মিশমা এবং খাগড়াছড়ি আসনে অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা মনোনয়ন পেয়েছেন।
এনসিপির প্রার্থীরা যেসব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন
পঞ্চগড়-১ আসনে মো. সারজিস আলম, ঠাকুরগাঁও-২ এ মো. রবিউল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-৩ এ মো. গোলাম মর্তুজা সেলিম, দিনাজপুর-৩ এ আ. হ. ম. শামসুল মুকতাদির, দিনাজপুর-৫ এ ডা. মো. আব্দুল আহাদ, নীলফামারী-২ এ ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন, নীলফামারী-৩ এ মো. আবু সায়েদ লিয়ন, লালমনিরহাট-২ এ রাসেল আহমেদ ও লালমনিরহাট-৩ এ মো. রকিবুল হাসান লড়বেন।
রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জয়পুরহাট ও বগুড়া
রংপুর-১ এ মো. আল মামুন, রংপুর-৪ এ আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ এ মো. মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-২ এ ড. আতিক মুজাহিদ, কুড়িগ্রাম-৩ এ ইঞ্জিনিয়ার আবু সাঈদ জনি।
গাইবান্ধা-৩ এ মো. নাজমুল হাসান সোহাগ, গাইবান্ধা-৫ এ ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান।
জয়পুরহাট-১ এ গোলাম কিবরিয়া, জয়পুরহাট-২ এ আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল।
বগুড়া-৬ এ আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ এ মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
রাজশাহী ও খুলনা বিভাগ
নওগাঁ-১ এ কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, নওগাঁ-২ এ মো. মাহফুজার রহমান চৌধুরী, নওগাঁ-৩ এ পরিমল চন্দ্র (উরাও), নওগাঁ-৪ এ মো. আব্দুল হামিদ।
নাটোর-২ এ আব্দুল মান্নাফ, নাটোর-৩ এ অধ্যাপক এস. এম. জার্জিস কাদির।
সিরাজগঞ্জ-৫ এ মনজুর কাদের, সিরাজগঞ্জ-৬ এ এস. এম. সাইফ মোস্তাফিজ।
পাবনা-৪ এ অধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুল মজিদ।
খুলনা বিভাগ
মেহেরপুর-১ এ মো. সোহেল রানা, মেহেরপুর-২ এ অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ, চুয়াডাঙ্গা-১ এ মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান, ঝিনাইদহ-১ এ অ্যাডভোকেট লাবাবুল বাসার (দয়াল বাসার), যশোর-৪ এ মো. শাহজাহান কবীর, মাগুড়া-২ এ মোহাম্মাদ তরিকুল ইসলাম।
বাগেরহাট-২ এ মোল্যা রহমাতুল্লাহ, খুলনা-১ এ মো. ওয়াহিদ উজ জামান, খুলনা-২ এ ফরিদুল হক।
পটুয়াখালী-১ এ অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, পটুয়াখালী-২ এ মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
বরিশাল, পিরোজপুর, ভোলা
ভোলা-১ এ অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমান, বরিশাল-৪ এ আবু সাঈদ মুসা, বরিশাল-৫ এ মো. নুরুল হুদা চৌধুরী।
পিরোজপুর-৩ এ ড. মো. শামীম হামিদী।
মধ্যাঞ্চল (ঢাকা, টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর)
টাঙ্গাইল-১ এ সাইদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৩ এ সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল-৫ এ মাসুদুর রহমান রাসেল, টাঙ্গাইল-৭ এ খন্দকার মাসুদ পারভেজ।
জামালপুর-৪ এ ডা. মো. মোশাররফ হোসেন।
শেরপুর-১ এ ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া, শেরপুর-২ এ খোকন চন্দ্র বর্মণ।
ময়মনসিংহ বিভাগ
ময়মনসিংহ-১ এ মো. আবু রেহান, ময়মনসিংহ-৩ এ কবি সেলিম বালা, ময়মনসিংহ-৫ এ মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, ময়মনসিংহ-৬ এ জাবেদ রাসিন।
ময়মনসিংহ-৭ এ অ্যাডভোকেট এ. টি. এম. মাহবুব-উল আলম, ময়মনসিংহ-৯ এ আশিকিন আলম (রাজন)।
নেত্রকোণা-২ এ ফাহিম রহমান খান পাঠান, নেত্রকোণা-৩ এ প্রকৌশলী ইফতেখার হোসেন সিদ্দিকী (শামীম)।
কিশোরগঞ্জ-২ এ আবু সাঈদ (সাঈদ উজ্জ্বল), কিশোরগঞ্জ-৩ এ শেখ খায়রুল কবির আহমেদ লড়বেন।
ঢাকা জেলা ও মহানগর
মুন্সীগঞ্জ-১ এ আলী নেওয়াজ, মুন্সীগঞ্জ-২ এ মাজেদুল ইসলাম।
ঢাকা-১ এ মো. রাসেল আহমেদ, ঢাকা-৪ এ ডা. জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা-৫ এ এস এম শাহরিয়ার, ঢাকা-৭ এ তারেক আহম্মেদ আদেল।
ঢাকা-১১ এ নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১৩ এ আকরাম হুসাইন, ঢাকা-১৫ এ অবসরপ্রাপ্ত মেজর মুহাম্মদ আলমগীর ফেরদৌস, ঢাকা-১৬ এ আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৮ এ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা-১৯ এ ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, ঢাকা-২০ এ ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ মনোনয়ন পেয়েছেন।
গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও রাজবাড়ী
গাজীপুর-৬ এ ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল।
নরসিংদী-১ এ মো. আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, নরসিংদী-২ এ সারোয়ার তুষার, নরসিংদী-৪ এ ডা. মামুনুর রহমান জাহাঙ্গীর, নরসিংদী-৫ এ মো. নাজমুল হক সিকদার।
নারায়ণগঞ্জ-৪ এ অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, নারায়ণগঞ্জ-৫ এ আহমেদুর রহমান তনু।
রাজবাড়ী-২ এ সাইয়েদ জামিল (জামিল হিজাযী) লড়বেন।
সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ
গোপালগঞ্জ-১ এ প্রলয় কুমার পাল, গোপালগঞ্জ-৩ এ আরিফুল দাড়িয়া।
শরীয়তপুর-১ এ মো. আব্দুর রহমান।
সিলেট
সিলেট-১ এ এহতেশাম হক, সিলেট-৩ এ ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ, সিলেট-৪ এ মো. রাশেল উল আলম।
মৌলভীবাজার-৪ এ প্রীতম দাশ, হবিগঞ্জ-৪ এ নাহিদ উদ্দিন তারেক।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এ মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ এ মো. আতাউল্লাহ।
চট্টগ্রাম
কুমিল্লা-৪ এ হাসনাত আবদুল্লাহ, কুমিল্লা-৬ এ নাভিদ নওরোজ শাহ।
চাঁদপুর-১ এ আরিফুল ইসলাম, চাঁদপুর-৫ এ মো. মাহাবুব আলম।
ফেনী-৩ এ মোহাম্মাদ আবুল কাশেম।
নোয়াখালী-১ এ ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, নোয়াখালী-৬ এ আব্দুল হান্নান মাসউদ।
চট্টগ্রাম-৬ এ মহিউদ্দিন জিলানী, চট্টগ্রাম-৮ এ মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, চট্টগ্রাম-৯ এ মো. রিয়াজুল আনোয়ার চৌধুরী সিন্টু, চট্টগ্রাম-১১ এ মোহাম্মদ আজাদ দোভাষ, চট্টগ্রাম-১৩ এ জুবাইরুল আলম মানিক, চট্টগ্রাম-১৪ এ মুহাম্মদ হাসান আলীম, চট্টগ্রাম-১৫ এ আবদুল মাবুদ সৈয়দ, চট্টগ্রাম-১৬ এ মীর আরশাদুল হক নির্বাচনে অংশ নেবেন।
কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবান
কক্সবাজার-১ এ মো. মাইমুল আহসান খান, কক্সবাজার-২ এ আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন, কক্সবাজার-৪ এ মুহাম্মদ হোসাইন।
রাঙামাটিতে প্রিয় চাকমা ও বান্দরবানে মংসা প্রু চৌধুরী এনসিপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
আরও পড়ুন:








