মঙ্গলবার

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৫ ফাল্গুন, ১৪৩২

পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ সাত দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ আগস্ট, ২০২৫ ২০:৪৯

আপডেট: ২২ আগস্ট, ২০২৫ ২০:৫৮

শেয়ার

পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ সাত দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের
ছবি সংগৃহীত

নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তরুণ প্রজন্মের প্রতিটি ভোটের মূল্যায়ন, ফ্যাসিজমের পুনরাবৃত্তি রোধ এবং জাতীয় সরকার গঠনে সংসদের প্রস্তাবিত উভয় কক্ষে সংখ্যানুপাতিক পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন দেওয়াসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ।

শুক্রবার শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এসব দাবি জানান সংগঠনের সহ-সভাপতি মুনতাছির আহমাদ।

সংগঠনটির অন্য ছয়টি দাবি হচ্ছে

১. ২৪ পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে যেন কোনো নির্বাচিত স্বৈরাচার, দুর্নীতিবাজ, লুটেরা ও সন্ত্রাসী শ্রেণি রাষ্ট্রক্ষমতাকে ব্যবহার করে জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করতে না পারে এবং একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েম করতে না পারে সে জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক রাষ্ট্র সংস্কার দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে এবং ছাত্রজনতার প্রত্যাশার প্রতিফলন স্বরূপ শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে হবে।

২. জুলাই ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে বৈষম্যহীন শোষণ নিপীড়ন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ ঘোষণা করতে হবে এবং জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদের আইনিভিত্তি নিশ্চিত করতে হবে।

৩. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন এবং ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বৈষম্য মুক্তির আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

৪. ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির নামে অপরাজনীতি এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম রোধ, রাজনৈতিক সহনশীলতা ও সহাবস্থান তৈরি, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত এবং জাতীয় পর্যায়ে সৎ, যোগ্য ও আদর্শ নেতৃত্ব তৈরিতে সব ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে হবে। একইসঙ্গে ঘোষিত ডাকসু, জাকসু ও রাকসুতে তফসিল অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

৫. পতিত ফ্যাসিবাদ এবং পিলখানা, শাপলা ও জুলাইসহ সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এবং বিদেশে পালাতক অপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার ও শাস্তি নিশ্চিতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে।

৬. দেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও খুনখারাবি রোধে প্রশাসনকে কার্যকর দায়িত্ব পালন করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ছাত্র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।



banner close
banner close