ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, বিশ্বের প্রায় ৯১টি দেশে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এটি নতুন কোনো আবিষ্কার নয়; বরং এ ব্যবস্থায় জনগণের সবার মতামত সংসদে প্রতিফলিত হয় এবং একক আধিপত্যবাদ বা ফ্যাসিবাদী প্রবণতা রোধ করা সম্ভব।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “একটি দল পিআর পদ্ধতি বোঝে না। তারা বলে, ‘পিআর খায় না, গায়ে দেয়।’ এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে জনগণের মতামতকে অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। ৬০ শতাংশ মানুষের মতামত উপেক্ষা করে ৩০-৪০ শতাংশ ভোটে নির্বাচিতরা কার্যকরভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারবে না। তাই গণতান্ত্রিক ও ন্যায়সংগত নির্বাচন ব্যবস্থার জন্য পিআর পদ্ধতি সবচেয়ে উপযোগী।”
শুক্রবার বিকেলে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার খুকনী হাই স্কুল চত্বরে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এনায়েতপুর থানা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, “পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা সংসদে আসতে পারবেন। এজন্য একটি দল অস্থির হয়ে পড়েছে এবং ভিত্তিহীন সমালোচনা করছে।”
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামি আন্দোলন এনায়েতপুর থানা শাখার সভাপতি মুফতি আলমগীর হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মজিবুর রহমান।
প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) হাজী মুফতি শেখ মুহাম্মদ নুরুন নাবী। আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কৃষি ও শ্রম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য মুফতি মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহ, সিরাজগঞ্জ জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুস সামাদ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জুবায়ের ইসলাম, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সভাপতি মুফতি মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোতালিবুর রহমান সাইফি, এনায়েতপুর থানা জামায়াতের আমির ডা. সেলিম রেজা এবং ওএনসিপি প্রতিনিধি মুছা হাসেমি।
পরে সিরাজগঞ্জের চারটি সংসদীয় আসনে প্রার্থিতা ঘোষণা ও প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন চরমোনাই পীর। গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে এনায়েতপুর, বেলকুচি-চৌহালী ও শাহজাদপুর এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে সমাবেশে যোগ দেয়। এ সময় হাতপাখা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করা হয়।
আরও পড়ুন:








