নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আশরাফুলকে থানা থেকে ছাড়াতে তদবির করেছেন বিএনপি নেতা।
রোববার বিকেলে সোনারগাঁও থানার পুলিশ তাকে স্থানীয় হরিহদী বাজার থেকে গ্রেফতার হন আশরাফুল। এরপর তাকে থানায় নেয়া হলে স্থানীয় সনমান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোসলেহউদ্দীন থানায় ছুটে যান আসামীকে ছাড়াতে।
আওয়ামী সরকারের পতনের পর আশরাফুলকে দীর্ঘদিন এলাকায় দেখা যায়নি। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলা ছাড়াও একাধিক মামলা রয়েছে।
জানা গেছে, মোসলেহউদ্দীন আশরাফুলকে বিএনপি নেতা প্রমাণ করতে বিএনপির অফিসিয়াল প্যাড এডিট করে জালিয়াতির মাধ্যমে আসামীকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে। যদিও সোনারগাঁও থানায় এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় পুলিশ তাকে ছাড়েনি।
এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তারা জানান মোসলেহউদ্দীন বিএনপির নাম বিক্রি করে এখনই চাঁদাবাজি শুরু করে দিয়েছে। পুলিশ যাকে ধরেছে এই আশরাফুল ছিল আওয়ামী লীগ এর সন্ত্রাসী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সনমান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোসলেহউদ্দীন মুঠোফোনে জানান, আশরাফ উদ্দীন নামের একজন ইউনিয়ন বিএনপিতে ক্রিয়া সম্পাদক পদে আছে। কিন্তু পুলিশ যাকে গ্রেফতার করেছে তার নাম আশরাফুল। নামের মিল থাকায় ভুলে তিনি থানায় গিয়েছিলেন।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল বারি জানান, দেশে চলমান ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযান পরিচালনা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতের হত্যা মামলায় আশরাফুল নামের ১ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:








